রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মতিহার থানায় অপমৃত্যুর আবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনাটি (১১ জুলাই) শনিবার দুপুরের কোনো এক সময় ঘটেছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বোয়ালিয়া থানার শিরোইল স্টেশন পাড়ার বাসিন্দা মিন্টুর মেয়ে আসমানী খাতুন (১৯)-এর সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে মতিহার থানাধীন খোঁজাপুর জয়গাছি এলাকার বিলালের বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
নিহতের বাবা মিন্টু অভিযোগে জানান, (১১ জুলাই) শনিবার সকালে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে তিনি সেখানে যান। পরে ঘরের ভেতরে আসমানী খাতুনকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নামিয়ে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মতিহার থানায় একটি অপমৃত্যুর আবেদন করা হয়েছে।
মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। তারপর অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মতিহার থানায় অপমৃত্যুর আবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনাটি (১১ জুলাই) শনিবার দুপুরের কোনো এক সময় ঘটেছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বোয়ালিয়া থানার শিরোইল স্টেশন পাড়ার বাসিন্দা মিন্টুর মেয়ে আসমানী খাতুন (১৯)-এর সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে মতিহার থানাধীন খোঁজাপুর জয়গাছি এলাকার বিলালের বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
নিহতের বাবা মিন্টু অভিযোগে জানান, (১১ জুলাই) শনিবার সকালে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে তিনি সেখানে যান। পরে ঘরের ভেতরে আসমানী খাতুনকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নামিয়ে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মতিহার থানায় একটি অপমৃত্যুর আবেদন করা হয়েছে।
মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। তারপর অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন