কালিয়াইশ বুধাগাজী পাড়ার ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করে ১২ বছরের এতিম শিশু রাফি। বয়সে ছোট হলেও জীবনের নির্মম বাস্তবতা খুব অল্প সময়েই তাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। মাত্র তিন মাস পূর্বে প্রিয় বাবাকে হারিয়েছে রাফি। সেই শোক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বাবার শূন্যতা নিয়ে প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটছিল তার ও তার মায়ের। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এবার তাকে লড়তে হচ্ছে নিজের জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে। গত ১৭ এপ্রিল স্কুলের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে আম পাড়তে গাছে উঠেছিল রাফি। শিশু সুলভ আনন্দে মেতে থাকা সেই মুহূর্তেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। হঠাৎ পা পিছলে গাছ থেকে নিচে পড়ে যায় রাফি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা যায়। প্রতিটি মুহূর্তে চলছে তার জীবন-মৃত্যুর লড়াই। রাফির মা জান্নাতুল নাঈম রুবী—একজন অসহায়, ভেঙ্গে পড়া মা। স্বামী হারানোর পর একমাত্র সন্তানই ছিল তার বেঁচে থাকার অবলম্বন। এখন সেই সন্তানকে বাঁচাতে হাসপাতালের করিডোরে তার প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে অশ্রু আর দুশ্চিন্তায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাফির উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ব্যয়বহুল। কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা এই পরিবারটির পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা কি পারি না, একটি শিশুর প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসতে? আমাদের সামান্য সহানুভূতি, ছোট্ট একটি সাহায্য—হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একটি জীবন, একটি মায়ের হাসি। আসুন, মানবতার হাত বাড়িয়ে রাফিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিই। সাহায্য পাঠানোর নম্বর : ০১৮৪৬৯৫৬৪৫০ (মামা), ০১৬০৭৫৮২৮৬১ (মা)। (ছবি আছে)

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কালিয়াইশ বুধাগাজী পাড়ার ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করে ১২ বছরের এতিম শিশু রাফি। বয়সে ছোট হলেও জীবনের নির্মম বাস্তবতা খুব অল্প সময়েই তাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। মাত্র তিন মাস পূর্বে প্রিয় বাবাকে হারিয়েছে রাফি। সেই শোক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বাবার শূন্যতা নিয়ে প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটছিল তার ও তার মায়ের। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এবার তাকে লড়তে হচ্ছে নিজের জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে। গত ১৭ এপ্রিল স্কুলের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে আম পাড়তে গাছে উঠেছিল রাফি। শিশু সুলভ আনন্দে মেতে থাকা সেই মুহূর্তেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। হঠাৎ পা পিছলে গাছ থেকে নিচে পড়ে যায় রাফি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা যায়। প্রতিটি মুহূর্তে চলছে তার জীবন-মৃত্যুর লড়াই। রাফির মা জান্নাতুল নাঈম রুবী—একজন অসহায়, ভেঙ্গে পড়া মা। স্বামী হারানোর পর একমাত্র সন্তানই ছিল তার বেঁচে থাকার অবলম্বন। এখন সেই সন্তানকে বাঁচাতে হাসপাতালের করিডোরে তার প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে অশ্রু আর দুশ্চিন্তায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাফির উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ব্যয়বহুল। কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা এই পরিবারটির পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা কি পারি না, একটি শিশুর প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসতে? আমাদের সামান্য সহানুভূতি, ছোট্ট একটি সাহায্য—হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একটি জীবন, একটি মায়ের হাসি। আসুন, মানবতার হাত বাড়িয়ে রাফিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিই। সাহায্য পাঠানোর নম্বর : ০১৮৪৬৯৫৬৪৫০ (মামা), ০১৬০৭৫৮২৮৬১ (মা)। (ছবি আছে)

আপনার মতামত লিখুন