বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে মরক্কোর ২-০ গোলে হারের পর লন্ডনের অ্যাজওয়্যার রোড এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মরক্কো সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী (রায়ট) পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং অন্তত এক পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, ম্যাচ চলাকালীন ও শেষ বাঁশির পর শত শত সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন। অনেককে আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালাতে, যানবাহনের ওপর উঠতে এবং প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দাঙ্গা পুলিশ ঢাল নিয়ে অবস্থান নেয় এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক পুলিশ সদস্যকে সড়কে পড়ে থাকতে এবং সহকর্মীদের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে চিকিৎসা দিতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, ম্যাচকে ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কায় প্যারিসে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হলেও সেখানে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়নি। বরং আশঙ্কার বিপরীতে সবচেয়ে বড় বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে লন্ডনেই।
ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরে মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়। আফ্রিকার শেষ প্রতিনিধি হিসেবেও বিদায় নেয় দলটি। আর এই পরাজয়ের পর লন্ডনের উদযাপন-পরবর্তী পরিস্থিতি দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে মরক্কোর ২-০ গোলে হারের পর লন্ডনের অ্যাজওয়্যার রোড এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মরক্কো সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী (রায়ট) পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং অন্তত এক পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, ম্যাচ চলাকালীন ও শেষ বাঁশির পর শত শত সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন। অনেককে আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালাতে, যানবাহনের ওপর উঠতে এবং প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দাঙ্গা পুলিশ ঢাল নিয়ে অবস্থান নেয় এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক পুলিশ সদস্যকে সড়কে পড়ে থাকতে এবং সহকর্মীদের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে চিকিৎসা দিতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, ম্যাচকে ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কায় প্যারিসে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হলেও সেখানে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়নি। বরং আশঙ্কার বিপরীতে সবচেয়ে বড় বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে লন্ডনেই।
ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরে মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়। আফ্রিকার শেষ প্রতিনিধি হিসেবেও বিদায় নেয় দলটি। আর এই পরাজয়ের পর লন্ডনের উদযাপন-পরবর্তী পরিস্থিতি দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়।

আপনার মতামত লিখুন