রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা, অ্যালকোহল, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করেছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজপাড়া, পবা ও কর্ণহার থানা এবং এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ি পৃথক অভিযান চালায়।
রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার পুলিশ আলীগঞ্জ বাথানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয়ন ইসলাম ওরফে মোত্তাকিম (২১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে বিক্রির জন্য রাখা ১১টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে রাত সোয়া ৯টার দিকে পবা থানার পুলিশ নওহাটা বাজারের রিয়াজ উদ্দিন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে মো. হাসেম আলী (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি মধ্য পুঠিয়াপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। তাঁর দোকানে তল্লাশি চালিয়ে ১০৮ বোতল, অর্থাৎ ৩ হাজার ২৪০ মিলিলিটার অ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হাসেম আলীকে এর আগেও গত ১৪ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
একই রাতে পৌনে ৯টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পাকুড়িয়া উত্তরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. সানোয়ার হোসেন (৪৩) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁর কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে পবা থানার বাগধানী গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৪) এবং কর্ণহার থানার তেতুলিয়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দিনের ছেলে মো. হযরত আলী (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ১৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরএমপির পবা থানায় দুটি এবং রাজশাহী জেলার তানোর থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা, অ্যালকোহল, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করেছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজপাড়া, পবা ও কর্ণহার থানা এবং এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ি পৃথক অভিযান চালায়।
রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার পুলিশ আলীগঞ্জ বাথানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয়ন ইসলাম ওরফে মোত্তাকিম (২১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে বিক্রির জন্য রাখা ১১টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে রাত সোয়া ৯টার দিকে পবা থানার পুলিশ নওহাটা বাজারের রিয়াজ উদ্দিন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে মো. হাসেম আলী (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি মধ্য পুঠিয়াপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। তাঁর দোকানে তল্লাশি চালিয়ে ১০৮ বোতল, অর্থাৎ ৩ হাজার ২৪০ মিলিলিটার অ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হাসেম আলীকে এর আগেও গত ১৪ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
একই রাতে পৌনে ৯টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পাকুড়িয়া উত্তরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. সানোয়ার হোসেন (৪৩) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁর কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে পবা থানার বাগধানী গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৪) এবং কর্ণহার থানার তেতুলিয়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দিনের ছেলে মো. হযরত আলী (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ১৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরএমপির পবা থানায় দুটি এবং রাজশাহী জেলার তানোর থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন