ফরিদপুরের ভাংগার হাইওয়ে মহাসড় কের সাইট রাস্তার (ফুটপাত )দিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। ফরিদপুরের
ভাংগা হাইওয়ে এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর
থেকে এ পযর্ন্ত কোন ফোতপাত রাস্তাটি পয়পরিস্কার রক্ষনাবেক্ষন করে নাই সড়ক
ও জনপথ বিভাগ বা (সেতু বিভাগ ) ফোতপাতে চলাচল করতে পারছে না এলাকার আশেপাশের সাধারণ জনজগ।
ফুটপাতের চলাচলের রাস্তার উপরে ময়লার ভাগার এবং বিভিন্ন ধরনে গাছ হয়ে
পরেছে,বাধ্য হয়ে সাধারণ জনগন মূল রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করছে এ কারনে হাইওয়ে এক্সপ্রেস এ সড়ক দুঘটনা
বাড়ছে, শুধু তাই নয় দূর্গন্ধে কেউ সাভাবিক
ভাবে চলাচল করতে পারছে না। পদ্মা সেতুর এই হাইওয়ে মহাসড়ক থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা টোল আদায় করা হয়,কিন্ত সড়ক বিভাগের কোন কর্মকর্তারা মহা সড়ক টি খোঁজ খবর রাখেন না। ভাংগার মালি গ্রামের এলাকা টির অবস্থা খুবই রাখাপ,ঐ এলাকার ভ্যান
চালক মনি জানান মহা সড়ক টি চালু হওয়ার পর থেকে এ পযর্ন্ত সাইট রাস্তার কোন সংস্কারের কাজ করে নাই,রাস্তার দুই পাশে গাছ গাছাড়িতে ভরে গেছে পায়ে হাটার কোন উপায় নেই সাধারণ জনগন
বাধ্য হয়ে মূল রাস্তার উপর দিয়ে যেতে হয়।
এ জন্য প্রায় দূর্রঘটনা ঘটে। অটোরিকশা চালক কামাল জানান দুই পাশের রাস্তার ফুটফাত পরিস্কার করে দিলে আমারা নিরাপদে চলচল করে গাড়ি চালাতে পারতাম এখন ভয়ে ভয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাই।এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান সেতু বিভাগ বা সড়ক ও জনপথ বিভাগই হোক তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা, আমাদের দাবি দ্রুত এই হাইওয়ে
এক্সপ্রেস মহা সড়ক টি সাইট রাস্তা পরিস্কার করে দিয়ে নিরাপদে চলাচলের
ব্যাবস্তা করা হউক।তারা আরো জানান প্রায় ১0 কিঃমিঃ ভাংগা হাইওয়ে এক্সপ্রেস রাস্তার এ অবস্থা।
এবিষয়ে ফরিদপুরের সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিন্টু দেব এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান হাইওয়ে এক্সপ্রেস সড়ক টি দেখবালের দায়িত্বে আছে মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগের এবং তাদের আওতায়। আমাদের ফরিদপুরের আওতাধীন নয়।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের ভাংগার হাইওয়ে মহাসড় কের সাইট রাস্তার (ফুটপাত )দিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। ফরিদপুরের
ভাংগা হাইওয়ে এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর
থেকে এ পযর্ন্ত কোন ফোতপাত রাস্তাটি পয়পরিস্কার রক্ষনাবেক্ষন করে নাই সড়ক
ও জনপথ বিভাগ বা (সেতু বিভাগ ) ফোতপাতে চলাচল করতে পারছে না এলাকার আশেপাশের সাধারণ জনজগ।
ফুটপাতের চলাচলের রাস্তার উপরে ময়লার ভাগার এবং বিভিন্ন ধরনে গাছ হয়ে
পরেছে,বাধ্য হয়ে সাধারণ জনগন মূল রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করছে এ কারনে হাইওয়ে এক্সপ্রেস এ সড়ক দুঘটনা
বাড়ছে, শুধু তাই নয় দূর্গন্ধে কেউ সাভাবিক
ভাবে চলাচল করতে পারছে না। পদ্মা সেতুর এই হাইওয়ে মহাসড়ক থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা টোল আদায় করা হয়,কিন্ত সড়ক বিভাগের কোন কর্মকর্তারা মহা সড়ক টি খোঁজ খবর রাখেন না। ভাংগার মালি গ্রামের এলাকা টির অবস্থা খুবই রাখাপ,ঐ এলাকার ভ্যান
চালক মনি জানান মহা সড়ক টি চালু হওয়ার পর থেকে এ পযর্ন্ত সাইট রাস্তার কোন সংস্কারের কাজ করে নাই,রাস্তার দুই পাশে গাছ গাছাড়িতে ভরে গেছে পায়ে হাটার কোন উপায় নেই সাধারণ জনগন
বাধ্য হয়ে মূল রাস্তার উপর দিয়ে যেতে হয়।
এ জন্য প্রায় দূর্রঘটনা ঘটে। অটোরিকশা চালক কামাল জানান দুই পাশের রাস্তার ফুটফাত পরিস্কার করে দিলে আমারা নিরাপদে চলচল করে গাড়ি চালাতে পারতাম এখন ভয়ে ভয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাই।এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান সেতু বিভাগ বা সড়ক ও জনপথ বিভাগই হোক তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা, আমাদের দাবি দ্রুত এই হাইওয়ে
এক্সপ্রেস মহা সড়ক টি সাইট রাস্তা পরিস্কার করে দিয়ে নিরাপদে চলাচলের
ব্যাবস্তা করা হউক।তারা আরো জানান প্রায় ১0 কিঃমিঃ ভাংগা হাইওয়ে এক্সপ্রেস রাস্তার এ অবস্থা।
এবিষয়ে ফরিদপুরের সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিন্টু দেব এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান হাইওয়ে এক্সপ্রেস সড়ক টি দেখবালের দায়িত্বে আছে মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগের এবং তাদের আওতায়। আমাদের ফরিদপুরের আওতাধীন নয়।

আপনার মতামত লিখুন