দৈনিক লাল বার্তা

রায়গঞ্জ-তাড়াশে উন্নয়নের মহোৎসব: ভিপি আয়নুল হকের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে জনপদ



রায়গঞ্জ-তাড়াশে উন্নয়নের মহোৎসব: ভিপি আয়নুল হকের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে জনপদ

দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনপদ হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) নির্বাচনী এলাকায় এখন বইছে উন্নয়নের জোয়ার। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, সততা এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার কঠোরতায় এলাকাটি এখন উন্নয়নের এক নতুন মডেলে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় অবকাঠামোগত যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়সহ সামাজিক অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান। মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে শুরু করে মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশান ঘাট—কোনো কিছুই উন্নয়নের ছোঁয়ার বাইরে নেই। অতীতে যেখানে অনেক প্রকল্প কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকতো, সেখানে বর্তমানে কাজের দৃশ্যমান গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ সরাসরি সুফল ভোগ করছেন।

এই অভাবনীয় উন্নয়নের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছেন সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি প্রতিটি বরাদ্দের সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি তাঁর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে—কাজের মান সন্তোষজনক না হলে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এই কঠোর অবস্থানের কারণেই অতীতে সরকারি বরাদ্দের অর্থে যে অনিয়মের অভিযোগ ছিল, তা বর্তমান সময়ে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

এদিকে, উন্নয়নের এই গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাস্তার ছোটখাটো বা বিচ্ছিন্ন কোনো ত্রুটির ছবি পোস্ট করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এসব ভিত্তিহীন প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এমপি ভিপি আয়নুল হক।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক বলেন, তাড়াশ-রায়গঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন উন্নয়নের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আমরা প্রতিটি পয়সার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে কাজ করছি। কিছু মানুষ অপপ্রচারের মাধ্যমে উন্নয়নের এই ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।" তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও রায়গঞ্জ ও তাড়াশে আরও ব্যাপক পরিসরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকে। এমনকি উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তির প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা উন্নয়নের স্বার্থে এমন অপপ্রচারের সমালোচনা করে জনস্বার্থে কাজের ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। রায়গঞ্জ ও তাড়াশের সাধারণ মানুষ মনে করেন, বর্তমান সংসদ সদস্যের নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তা যদি এভাবে অটুট থাকে, তবে অচিরেই এই জনপদ উন্নয়নের মডেল হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


রায়গঞ্জ-তাড়াশে উন্নয়নের মহোৎসব: ভিপি আয়নুল হকের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে জনপদ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image




দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনপদ হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) নির্বাচনী এলাকায় এখন বইছে উন্নয়নের জোয়ার। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, সততা এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার কঠোরতায় এলাকাটি এখন উন্নয়নের এক নতুন মডেলে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় অবকাঠামোগত যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।



সরেজমিনে দেখা যায়, রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়সহ সামাজিক অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান। মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে শুরু করে মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশান ঘাট—কোনো কিছুই উন্নয়নের ছোঁয়ার বাইরে নেই। অতীতে যেখানে অনেক প্রকল্প কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকতো, সেখানে বর্তমানে কাজের দৃশ্যমান গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ সরাসরি সুফল ভোগ করছেন।


এই অভাবনীয় উন্নয়নের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছেন সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি প্রতিটি বরাদ্দের সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি তাঁর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে—কাজের মান সন্তোষজনক না হলে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এই কঠোর অবস্থানের কারণেই অতীতে সরকারি বরাদ্দের অর্থে যে অনিয়মের অভিযোগ ছিল, তা বর্তমান সময়ে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।


এদিকে, উন্নয়নের এই গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাস্তার ছোটখাটো বা বিচ্ছিন্ন কোনো ত্রুটির ছবি পোস্ট করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এসব ভিত্তিহীন প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এমপি ভিপি আয়নুল হক।


এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক বলেন, তাড়াশ-রায়গঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন উন্নয়নের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আমরা প্রতিটি পয়সার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে কাজ করছি। কিছু মানুষ অপপ্রচারের মাধ্যমে উন্নয়নের এই ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।" তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও রায়গঞ্জ ও তাড়াশে আরও ব্যাপক পরিসরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।



উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকে। এমনকি উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তির প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা উন্নয়নের স্বার্থে এমন অপপ্রচারের সমালোচনা করে জনস্বার্থে কাজের ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। রায়গঞ্জ ও তাড়াশের সাধারণ মানুষ মনে করেন, বর্তমান সংসদ সদস্যের নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তা যদি এভাবে অটুট থাকে, তবে অচিরেই এই জনপদ উন্নয়নের মডেল হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা