সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৃথক দুটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. আরিফুল ইসলাম উপজেলার চান্দাইকোনা ফকিরপাড়া গ্রামের মো. মোহর আলী ফকিরের ছেলে। তিনি লালমনিরহাটের জিআর নং-১৮২/২০ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
মো. সাজু পাঠান উপজেলার সরাইদহ গ্রামের মৃত সামা পাঠানের ছেলে। তিনি শিবগঞ্জের জিআর নং-৫৪৩/২৫ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
পুলিশ জানায়, আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশি প্রহরায় তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান জানান, “আদালতের জারি করা ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে রায়গঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আদালতের পরোয়ানা কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৃথক দুটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. আরিফুল ইসলাম উপজেলার চান্দাইকোনা ফকিরপাড়া গ্রামের মো. মোহর আলী ফকিরের ছেলে। তিনি লালমনিরহাটের জিআর নং-১৮২/২০ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
মো. সাজু পাঠান উপজেলার সরাইদহ গ্রামের মৃত সামা পাঠানের ছেলে। তিনি শিবগঞ্জের জিআর নং-৫৪৩/২৫ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
পুলিশ জানায়, আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশি প্রহরায় তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান জানান, “আদালতের জারি করা ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে রায়গঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আদালতের পরোয়ানা কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন