সিরাজগঞ্জের যমুনা অধ্যুষিত অন্যতম কাজিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে চরাঞ্চলে ৬টি ইউনিয়ন ভাঙন অবলিত। এরমধ্যে অন্যতম ইউনিয়ন চরগিরিশ। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীতে জোয়ারের পানি আসার সাথে সাথেই ভাঙন দেখা দেয় চরগিরিশে। বর্তমানে এ ইউনিয়নের পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগিরিশ ইউনিয়ন ফ্লাড সেন্টার বাজার, ভেটুয়া, চরগিরিশ গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক স্থাপনা রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে।
সম্প্রতি চরগিরিশ ইউনিয়ন ঘুরে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। প্রায় ৮০ দশক থেকে যমুনা ভাঙনের ফলে চরগিরিশ ইউনিয়নের ৪টি গ্ৰাম বিলীন হয়ে গেছে। আরও ২টি গ্ৰামের চার ভাগের তিন ভাগ যমুনার কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে। এক ভাগ টিকে থাকলেও এরমধ্যে বর্তমানে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি, ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি মসজিদ, চরগিরিশ ও মনসুর নগর ইউনিয়ন আঞ্চলিক সড়কসহ একাধিক স্থাপনা ভাঙন ঝুঁকিতে। ঝুঁকিতে রয়েছে পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগিরিশ ইউনিয়ন ফ্লাড সেন্টার বাজার, প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের বেশ কয়েকটি ইট সোলিং ও কাঁচা রাস্তা। ভেটুয়া নৌকা ঘাট থেকে উত্তরে দিকে প্রায় ২ কিলোমিটার এরিয়া নিয়ে নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদী থেকে ৩০০ গজের মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিন মাস আগে এই নতুন ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। চরগিরিশ ইউনিয়ন বিএনপি'র সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, চরাঞ্চলের ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, ইউএনও এবং এমপি মহোদয় কে অবহিত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা জানান, আমার নির্বাচনের সময় এই কাজিপুরের নদী ভাঙন রোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তারই আলোকে এই বর্ষা মৌসুমে ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের যমুনা অধ্যুষিত অন্যতম কাজিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে চরাঞ্চলে ৬টি ইউনিয়ন ভাঙন অবলিত। এরমধ্যে অন্যতম ইউনিয়ন চরগিরিশ। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীতে জোয়ারের পানি আসার সাথে সাথেই ভাঙন দেখা দেয় চরগিরিশে। বর্তমানে এ ইউনিয়নের পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগিরিশ ইউনিয়ন ফ্লাড সেন্টার বাজার, ভেটুয়া, চরগিরিশ গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক স্থাপনা রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে।
সম্প্রতি চরগিরিশ ইউনিয়ন ঘুরে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। প্রায় ৮০ দশক থেকে যমুনা ভাঙনের ফলে চরগিরিশ ইউনিয়নের ৪টি গ্ৰাম বিলীন হয়ে গেছে। আরও ২টি গ্ৰামের চার ভাগের তিন ভাগ যমুনার কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে। এক ভাগ টিকে থাকলেও এরমধ্যে বর্তমানে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি, ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি মসজিদ, চরগিরিশ ও মনসুর নগর ইউনিয়ন আঞ্চলিক সড়কসহ একাধিক স্থাপনা ভাঙন ঝুঁকিতে। ঝুঁকিতে রয়েছে পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগিরিশ ইউনিয়ন ফ্লাড সেন্টার বাজার, প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের বেশ কয়েকটি ইট সোলিং ও কাঁচা রাস্তা। ভেটুয়া নৌকা ঘাট থেকে উত্তরে দিকে প্রায় ২ কিলোমিটার এরিয়া নিয়ে নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদী থেকে ৩০০ গজের মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিন মাস আগে এই নতুন ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। চরগিরিশ ইউনিয়ন বিএনপি'র সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, চরাঞ্চলের ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, ইউএনও এবং এমপি মহোদয় কে অবহিত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা জানান, আমার নির্বাচনের সময় এই কাজিপুরের নদী ভাঙন রোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তারই আলোকে এই বর্ষা মৌসুমে ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন