চলনবিলের বুকে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন কুন্দইল ব্রিজটি এখন পর্যটকদের বিনোদনের পরিবর্তে বিড়ম্বনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজের ওপর এবং আশেপাশের এলাকায় যত্রতত্র খড়ের গাদা ও ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখায় ব্রিজের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।
কুন্দইল ব্রিজের আশেপাশে বসবাসকারী ও যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্রিজের দুই পাশ দখল করে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি খড়ের বড় বড় গাদা তৈরি করে রেখেছেন। এছাড়া ব্রিজের ওপর বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা ও খড়কুটো ফেলে রাখায় বাতাস চলাচলের পথ যেমন রুদ্ধ হচ্ছে, তেমনি ব্রিজের সৌন্দর্যও ঢাকা পড়েছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, "এই ব্রিজটি চলনবিল ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান ছিল। কিন্তু বর্তমানে ব্রিজে দাঁড়ালে খড়ের স্তূপ ও দুর্গন্ধ ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না। কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে নজর না দিলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবে।
বিষয়টি নিয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, "কুন্দইল ব্রিজটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি বিনোদনের একটি মাধ্যম। ব্রিজের ওপর খড়ের গাদা ও আবর্জনা রাখার বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, "স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিদর্শন করে যারা ব্রিজের সৌন্দর্য নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ব্রিজ এলাকাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে স্থানীয়দের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি।
চলনবিলের সৌন্দর্য ও স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার কথা চিন্তা করে প্রশাসন এবং স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কুন্দইল ব্রিজের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
চলনবিলের বুকে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন কুন্দইল ব্রিজটি এখন পর্যটকদের বিনোদনের পরিবর্তে বিড়ম্বনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজের ওপর এবং আশেপাশের এলাকায় যত্রতত্র খড়ের গাদা ও ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখায় ব্রিজের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।
কুন্দইল ব্রিজের আশেপাশে বসবাসকারী ও যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্রিজের দুই পাশ দখল করে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি খড়ের বড় বড় গাদা তৈরি করে রেখেছেন। এছাড়া ব্রিজের ওপর বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা ও খড়কুটো ফেলে রাখায় বাতাস চলাচলের পথ যেমন রুদ্ধ হচ্ছে, তেমনি ব্রিজের সৌন্দর্যও ঢাকা পড়েছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, "এই ব্রিজটি চলনবিল ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান ছিল। কিন্তু বর্তমানে ব্রিজে দাঁড়ালে খড়ের স্তূপ ও দুর্গন্ধ ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না। কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে নজর না দিলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবে।
বিষয়টি নিয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, "কুন্দইল ব্রিজটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি বিনোদনের একটি মাধ্যম। ব্রিজের ওপর খড়ের গাদা ও আবর্জনা রাখার বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, "স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিদর্শন করে যারা ব্রিজের সৌন্দর্য নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ব্রিজ এলাকাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে স্থানীয়দের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি।
চলনবিলের সৌন্দর্য ও স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার কথা চিন্তা করে প্রশাসন এবং স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কুন্দইল ব্রিজের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন