তাড়াশ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে কাউরাইল ব্রিজের ঠিক পাশেই চলছে অবৈধ পুকুর খননের মহোৎসব। স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত মিসকান আলীর নেতৃত্বে ফসলি জমি গিলে খাচ্ছে বিশাল বিশাল গর্ত। সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাউরাইল ব্রিজের সন্নিকটবর্তী কৃষি জমিতে এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে মাটি কেটে পুকুর তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে পাশের ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও আশপাশের কৃষি জমি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে প্রভাবশালী মিসকান আলীর লোকজন তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন বলেন,
“কাউরাইল ব্রিজের পাশে অবৈধভাবে পুকুর খননের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। কৃষিজমিতে পুকুর খনন সম্পূর্ণ বেআইনি এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আমরা মিসকান আলীর এই অবৈধ খননকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। দ্রুতই ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি জমি বা আবাদি জমি রক্ষায় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, মিসকান আলী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে রাতারাতি কৃষি জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করছেন। তিনি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশবাদীরা বলছেন, ব্রিজের এত কাছে বড় পুকুর খনন করলে বর্ষাকালে ব্রিজের মূল অবকাঠামো ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
উপজেলার সচেতন মহলের দাবি, শুধু খননকাজ বন্ধ করলেই হবে না, মিসকান আলীর মতো ভূমিদস্যুদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ কৃষি জমির ক্ষতি করার সাহস না পায়।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
তাড়াশ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে কাউরাইল ব্রিজের ঠিক পাশেই চলছে অবৈধ পুকুর খননের মহোৎসব। স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত মিসকান আলীর নেতৃত্বে ফসলি জমি গিলে খাচ্ছে বিশাল বিশাল গর্ত। সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাউরাইল ব্রিজের সন্নিকটবর্তী কৃষি জমিতে এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে মাটি কেটে পুকুর তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে পাশের ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও আশপাশের কৃষি জমি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে প্রভাবশালী মিসকান আলীর লোকজন তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন বলেন,
“কাউরাইল ব্রিজের পাশে অবৈধভাবে পুকুর খননের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। কৃষিজমিতে পুকুর খনন সম্পূর্ণ বেআইনি এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আমরা মিসকান আলীর এই অবৈধ খননকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। দ্রুতই ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি জমি বা আবাদি জমি রক্ষায় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, মিসকান আলী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে রাতারাতি কৃষি জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করছেন। তিনি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশবাদীরা বলছেন, ব্রিজের এত কাছে বড় পুকুর খনন করলে বর্ষাকালে ব্রিজের মূল অবকাঠামো ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
উপজেলার সচেতন মহলের দাবি, শুধু খননকাজ বন্ধ করলেই হবে না, মিসকান আলীর মতো ভূমিদস্যুদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ কৃষি জমির ক্ষতি করার সাহস না পায়।

আপনার মতামত লিখুন