দৈনিক লাল বার্তা

আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গভীর সংকটে দল



আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গভীর সংকটে দল

বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। তবে এ বছর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আবহ সম্পূর্ণ ভিন্ন। নজিরবিহীন এক রাজনৈতিক সংকটে আবর্তিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার পুরো দলই নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সারা দেশে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় চালাচ্ছে পুলিশ। বর্তমানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় অংশ প্রবাসে অবস্থান করছেন, একটি অংশ কারাগারে রয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, আওয়ামী লীগ পুনরায় সংগঠিত হতে পারবে কি না, নাকি দেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রধান এই রাজনৈতিক শক্তি স্থায়ীভাবে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই দলের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৫৫ সালের সম্মেলনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নামকরণ করা হয়।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছাপ্পান্নর শাসনতন্ত্র আন্দোলন এবং বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় দলটি বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পর ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের অধীনে নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

সংকট ও পুনরুত্থানের ইতিহাস

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দলটি প্রথম বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের শাসনকালে দলটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলেও এই সময়েই দলের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয়।

দলটির শাসনামলের শেষ বছরগুলোতে ব্যাংক খাতে অব্যবস্থাপনা, বিপুল অর্থের ঋণ জালিয়াতি এবং মেগা প্রকল্পের আড়ালে অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, যা দলটিকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

এ সময় বিরোধী মত দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গোপন বন্দিশালার তথ্য প্রকাশ আন্তর্জাতিকভাবে দলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা এবং প্রাণহানির ঘটনায় দলটির নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। এর পরিণতিতে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

বর্তমান পরিস্থিতি

পূর্বেও আওয়ামী লীগ একাধিকবার সংকটে পড়েছে এবং দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান সংকট অতীতের তুলনায় ভিন্ন প্রকৃতির।

প্রথমত, বর্তমান বিএনপি সরকার আইনগতভাবে দলটিকে নিষিদ্ধ করায় এর প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, দলের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নেতৃত্বের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে, কারাগারে বা আত্মগোপনে থাকায় দল পরিচালনার জন্য দৃশ্যমান কোনো কাঠামো বা সমন্বয়কারী নেই। তৃতীয়ত, জুলাই-আগস্টের সহিংসতা এবং দীর্ঘ শাসনকালের কারণে সাধারণ মানুষের একটি অংশের মধ্যে দলটির প্রতি অসন্তোষ রয়েছে।

পুলিশ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান অব্যাহত রেখেছে, যা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে আরও জোরদার হয়েছে। এর ফলে নেতাকর্মীরা সংগঠন পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছেন।

ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যবেক্ষণ

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। প্রথমত, নেতৃত্বের সংস্কার ও অতীত ভুল স্বীকারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দলটি অতীত দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ স্বীকার না করলে জনগণের আস্থা ফিরে পাওয়া কঠিন হবে।

দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তির ভূমিকা, বিশেষত ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, বর্তমান বিএনপি সরকারের কার্যক্রম, বিশেষত অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়, তার ওপরও পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের এখনো একটি বড় সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে। তাই অতিরিক্ত দমন-পীড়নের ক্ষেত্রে সরকারকেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হতে পারে বলে মত দিয়েছেন তারা।

আইনি নিষেধাজ্ঞা এবং নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে নিকট ভবিষ্যতে দলটির প্রকাশ্যে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে দলটি যদি নিজেদের পুনর্গঠন করতে পারে এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন আসে, তাহলে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গভীর সংকটে দল

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image


বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। তবে এ বছর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আবহ সম্পূর্ণ ভিন্ন। নজিরবিহীন এক রাজনৈতিক সংকটে আবর্তিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ।


ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার পুরো দলই নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সারা দেশে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় চালাচ্ছে পুলিশ। বর্তমানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় অংশ প্রবাসে অবস্থান করছেন, একটি অংশ কারাগারে রয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন।


এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, আওয়ামী লীগ পুনরায় সংগঠিত হতে পারবে কি না, নাকি দেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রধান এই রাজনৈতিক শক্তি স্থায়ীভাবে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।


প্রতিষ্ঠার ইতিহাস


১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই দলের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৫৫ সালের সম্মেলনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নামকরণ করা হয়।


বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছাপ্পান্নর শাসনতন্ত্র আন্দোলন এবং বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় দলটি বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পর ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের অধীনে নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।


সংকট ও পুনরুত্থানের ইতিহাস


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দলটি প্রথম বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের শাসনকালে দলটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলেও এই সময়েই দলের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয়।


দলটির শাসনামলের শেষ বছরগুলোতে ব্যাংক খাতে অব্যবস্থাপনা, বিপুল অর্থের ঋণ জালিয়াতি এবং মেগা প্রকল্পের আড়ালে অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, যা দলটিকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।


এ সময় বিরোধী মত দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গোপন বন্দিশালার তথ্য প্রকাশ আন্তর্জাতিকভাবে দলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা এবং প্রাণহানির ঘটনায় দলটির নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। এর পরিণতিতে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।


বর্তমান পরিস্থিতি


পূর্বেও আওয়ামী লীগ একাধিকবার সংকটে পড়েছে এবং দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান সংকট অতীতের তুলনায় ভিন্ন প্রকৃতির।


প্রথমত, বর্তমান বিএনপি সরকার আইনগতভাবে দলটিকে নিষিদ্ধ করায় এর প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, দলের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নেতৃত্বের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে, কারাগারে বা আত্মগোপনে থাকায় দল পরিচালনার জন্য দৃশ্যমান কোনো কাঠামো বা সমন্বয়কারী নেই। তৃতীয়ত, জুলাই-আগস্টের সহিংসতা এবং দীর্ঘ শাসনকালের কারণে সাধারণ মানুষের একটি অংশের মধ্যে দলটির প্রতি অসন্তোষ রয়েছে।


পুলিশ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান অব্যাহত রেখেছে, যা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে আরও জোরদার হয়েছে। এর ফলে নেতাকর্মীরা সংগঠন পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছেন।


ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যবেক্ষণ


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। প্রথমত, নেতৃত্বের সংস্কার ও অতীত ভুল স্বীকারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দলটি অতীত দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ স্বীকার না করলে জনগণের আস্থা ফিরে পাওয়া কঠিন হবে।


দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তির ভূমিকা, বিশেষত ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, বর্তমান বিএনপি সরকারের কার্যক্রম, বিশেষত অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়, তার ওপরও পরিস্থিতি নির্ভর করবে।


বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের এখনো একটি বড় সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে। তাই অতিরিক্ত দমন-পীড়নের ক্ষেত্রে সরকারকেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হতে পারে বলে মত দিয়েছেন তারা।


আইনি নিষেধাজ্ঞা এবং নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে নিকট ভবিষ্যতে দলটির প্রকাশ্যে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে দলটি যদি নিজেদের পুনর্গঠন করতে পারে এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন আসে, তাহলে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা