ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান চৌধুরীর মালিকানাধীন জমি জবরদখল ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এই অভিযোগ করেন। ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়ালের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, গোয়ালচামট মৌজার এস.এ ১২০১ ও ১২০৩ নং দাগভুক্ত ২৪ শতাংশ জমির বৈধ মালিক তিনি। ২০০৯ সালে দলিলমূলে জমিটি ক্রয় করার পর বিভিন্ন সময়ে মালিকানা হস্তান্তর ও পুনরায় নিজের নামে ফিরিয়ে নিয়ে তিনি নিয়মিত খাজনা পরিশোধপূর্বক জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। উক্ত জমি নিয়ে ভিপি ইউসুফের ভাইদের সঙ্গে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের রায় হওয়ার আগেই গত ১৭ জুন বিকেলে ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক বেআইনিভাবে তার জমিতে প্রবেশ করে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে, গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং মালামাল লুটপাট করে। রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে জমিটি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার মেলেনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত, জমি দখলমুক্তকরণ, প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিতকরণ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সদস্য এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান চৌধুরীর মালিকানাধীন জমি জবরদখল ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এই অভিযোগ করেন। ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়ালের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, গোয়ালচামট মৌজার এস.এ ১২০১ ও ১২০৩ নং দাগভুক্ত ২৪ শতাংশ জমির বৈধ মালিক তিনি। ২০০৯ সালে দলিলমূলে জমিটি ক্রয় করার পর বিভিন্ন সময়ে মালিকানা হস্তান্তর ও পুনরায় নিজের নামে ফিরিয়ে নিয়ে তিনি নিয়মিত খাজনা পরিশোধপূর্বক জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। উক্ত জমি নিয়ে ভিপি ইউসুফের ভাইদের সঙ্গে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের রায় হওয়ার আগেই গত ১৭ জুন বিকেলে ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক বেআইনিভাবে তার জমিতে প্রবেশ করে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে, গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং মালামাল লুটপাট করে। রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে জমিটি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার মেলেনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত, জমি দখলমুক্তকরণ, প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিতকরণ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সদস্য এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন