সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬ষ্ঠ শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মারুফ হাসানের নির্মম হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রবিবার বিকেলে উপজেলার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেন মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা নিহত মারুফ হাসানের হত্যাকারী কাওছার হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
সমাবেশে আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, মারুফ আমাদের মাদ্রাসার একজন অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছাত্র ছিল। তাকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ সমাজ মেনে নিতে পারে না। আমরা ঘাতক কাওছার হোসেনের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি করার সাহস কেউ না পায়।"
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সুমাইয়া, মিতু ও আবু জাফর আবেগঘন কণ্ঠে বলে
"আমাদের সহপাঠী মারুফকে আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা আর কোনো মারুফকে এভাবে হারাতে চাই না। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাই এবং খুনি কাওছারের ফাঁসি চাই।
এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা আরও বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে বা নির্মমভাবে একজন শিশুকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, খুনি কাওছার হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন চলবে।
মানববন্ধনে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নিহতের সহপাঠী এবং শত শত সাধারণ মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নিয়ে খুনি কাওছারের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬ষ্ঠ শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মারুফ হাসানের নির্মম হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রবিবার বিকেলে উপজেলার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেন মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা নিহত মারুফ হাসানের হত্যাকারী কাওছার হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
সমাবেশে আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, মারুফ আমাদের মাদ্রাসার একজন অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছাত্র ছিল। তাকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ সমাজ মেনে নিতে পারে না। আমরা ঘাতক কাওছার হোসেনের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি করার সাহস কেউ না পায়।"
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সুমাইয়া, মিতু ও আবু জাফর আবেগঘন কণ্ঠে বলে
"আমাদের সহপাঠী মারুফকে আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা আর কোনো মারুফকে এভাবে হারাতে চাই না। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাই এবং খুনি কাওছারের ফাঁসি চাই।
এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা আরও বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে বা নির্মমভাবে একজন শিশুকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, খুনি কাওছার হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন চলবে।
মানববন্ধনে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নিহতের সহপাঠী এবং শত শত সাধারণ মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নিয়ে খুনি কাওছারের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আপনার মতামত লিখুন