ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নে মোবাইল কোর্টের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রায় ৩১ শতাংশ জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এই সরকারি জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকা।
রবিবার দুপুরে উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় দুই ঘন্টাব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নির্দেশনায় এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: শফিকুল ইসলাম।
সওজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ৪২ নং গঙ্গাবর্দী মৌজার এসএ ২০২৪ ও ২০২৫ দাগের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত ও রেকর্ডীয় জমিতে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে সেমিপাকা মার্কেট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছিল। শলাকুন্ড গ্রামের মৃত আব্দুল সালামের ছেলে হামজা নামের এক ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই স্থাপনা তৈরি করেন। এর আগে উপজেলা প্রশাসন ও সওজের পক্ষ থেকে তাকে একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যান।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: শফিকুল ইসলাম জানান,
আজকের অভিযানে ওই অবৈধ সেমিপাকা দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদ চলাকালীন জব্দকৃত ইট ও বালু ঘটনাস্থলেই প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি কোডে জমা দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ফরিদপুর সড়ক উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিম উপস্থিত ছিলেন। তিনি সওজের সার্ভেয়ার নিয়ে সরকারি জমির সীমানা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযানে কোতোয়ালি থানা পুলিশ এবং আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। জনস্বার্থে ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নে মোবাইল কোর্টের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রায় ৩১ শতাংশ জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এই সরকারি জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকা।
রবিবার দুপুরে উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় দুই ঘন্টাব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নির্দেশনায় এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: শফিকুল ইসলাম।
সওজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ৪২ নং গঙ্গাবর্দী মৌজার এসএ ২০২৪ ও ২০২৫ দাগের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত ও রেকর্ডীয় জমিতে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে সেমিপাকা মার্কেট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছিল। শলাকুন্ড গ্রামের মৃত আব্দুল সালামের ছেলে হামজা নামের এক ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই স্থাপনা তৈরি করেন। এর আগে উপজেলা প্রশাসন ও সওজের পক্ষ থেকে তাকে একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যান।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: শফিকুল ইসলাম জানান,
আজকের অভিযানে ওই অবৈধ সেমিপাকা দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদ চলাকালীন জব্দকৃত ইট ও বালু ঘটনাস্থলেই প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি কোডে জমা দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ফরিদপুর সড়ক উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিম উপস্থিত ছিলেন। তিনি সওজের সার্ভেয়ার নিয়ে সরকারি জমির সীমানা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযানে কোতোয়ালি থানা পুলিশ এবং আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। জনস্বার্থে ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন