শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মুজিব সড়কস্থ মহাপ্রভুর আখড়ার সামনে দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নিজের জায়গায় আমাদের সনাতনী সম্প্রদায়ের অর্থায়নে রামের মুর্তি গড়া হচ্ছে। সেটা গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, এটা কেমন স্বাধীন দেশ। প্রভু শ্রী রামের প্রতি প্রকাশ্যে অবমাননা করা হলো। এখন পর্যন্ত তাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা এ দেশের ভূমিপূত্র। এখানে আমরা অধিকার নিয়ে বাচতে চাই।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়, হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খ্রীষ্টান সকল সম্প্রদায়ের মানুষ জীবনকে তুচ্ছ করে অস্ত্র ধরেছিল। স্বাধীন পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল। তখন কথা ছিল এই দেশের মানুষ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নিয়েছে, জীবন দিয়েছে। আমরা কি পেয়েছি, ডক্টর ইউনুস রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মাটিতে ৫৮ জন সনাতনী ভাই-বোনদের নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এখন পর্যন্ত সেই হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যবস্থা হয়নি।
আওয়ামী লীগ ১৮ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। সুতরাং আমরা বলতে চাই, আমরা আর কাঁদতে চাই না. অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।
পুজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, পুজার উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নরেশ ভৌমিক, অ্যাড. রনজিত কুমার মন্ডল, অ্যাডভোকেট কল্যান সাহা, সাংবাদিক হীরক গুণ, সাংবাদিক অশোক ব্যানার্জি, বাসদ নেতা পলাশ ঘোষ প্রমূখ।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মুজিব সড়কস্থ মহাপ্রভুর আখড়ার সামনে দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নিজের জায়গায় আমাদের সনাতনী সম্প্রদায়ের অর্থায়নে রামের মুর্তি গড়া হচ্ছে। সেটা গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, এটা কেমন স্বাধীন দেশ। প্রভু শ্রী রামের প্রতি প্রকাশ্যে অবমাননা করা হলো। এখন পর্যন্ত তাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা এ দেশের ভূমিপূত্র। এখানে আমরা অধিকার নিয়ে বাচতে চাই।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়, হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খ্রীষ্টান সকল সম্প্রদায়ের মানুষ জীবনকে তুচ্ছ করে অস্ত্র ধরেছিল। স্বাধীন পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল। তখন কথা ছিল এই দেশের মানুষ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নিয়েছে, জীবন দিয়েছে। আমরা কি পেয়েছি, ডক্টর ইউনুস রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মাটিতে ৫৮ জন সনাতনী ভাই-বোনদের নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এখন পর্যন্ত সেই হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যবস্থা হয়নি।
আওয়ামী লীগ ১৮ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। সুতরাং আমরা বলতে চাই, আমরা আর কাঁদতে চাই না. অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।
পুজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, পুজার উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নরেশ ভৌমিক, অ্যাড. রনজিত কুমার মন্ডল, অ্যাডভোকেট কল্যান সাহা, সাংবাদিক হীরক গুণ, সাংবাদিক অশোক ব্যানার্জি, বাসদ নেতা পলাশ ঘোষ প্রমূখ।

আপনার মতামত লিখুন