দৈনিক লাল বার্তা

তাড়াশে হ্যাচারির পচা ডিমের বর্জ্যে তীব্র দুর্গন্ধ: জনজীবন অতিষ্ঠ



তাড়াশে হ্যাচারির পচা ডিমের বর্জ্যে তীব্র দুর্গন্ধ:  জনজীবন অতিষ্ঠ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের টাগড়া গ্রামে অবস্থিত ‘মিশাম ব্রিডার এগ্রো হ্যাচারি’র বিরুদ্ধে পচা ও নষ্ট ডিম যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। হ্যাচারি কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বর্জ্য ফেলার এই রমরমা কারবারে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জনজীবন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হ্যাচারি থেকে প্রতিনিয়ত বের হওয়া নষ্ট, না-ফোটা এবং পচা ডিমগুলো কোনো নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন বা নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হচ্ছে না। এগুলো অবহেলা আর খামখেয়ালিপনার মাধ্যমে লোকালয়ের আশেপাশে ও খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে। তীব্র রোদে এই ডিমগুলো পচে বাতাসে এমন দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে যে, আশেপাশের বাড়িঘরে টিকাই দায় হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এতে করে বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "হ্যাচারির পচা ডিমের গন্ধে আমরা ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও শান্তিতে থাকতে পারছি না। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া বা শ্বাস নেওয়ার পরিবেশটুকুও নষ্ট হয়ে গেছে।" তারা অবিলম্বে এই নষ্ট ডিমগুলো বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা বা নির্দিষ্ট নিরাপদ জায়গায় দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে পরিবেশের ক্ষতি করার অপরাধে হ্যাচারি মালিকদের দ্রুত জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানান তারা।

এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল। হ্যাচারিটি সরকারি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ম মেনে চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


তাড়াশে হ্যাচারির পচা ডিমের বর্জ্যে তীব্র দুর্গন্ধ: জনজীবন অতিষ্ঠ

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image



সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের টাগড়া গ্রামে অবস্থিত ‘মিশাম ব্রিডার এগ্রো হ্যাচারি’র বিরুদ্ধে পচা ও নষ্ট ডিম যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। হ্যাচারি কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বর্জ্য ফেলার এই রমরমা কারবারে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জনজীবন।


স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হ্যাচারি থেকে প্রতিনিয়ত বের হওয়া নষ্ট, না-ফোটা এবং পচা ডিমগুলো কোনো নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন বা নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হচ্ছে না। এগুলো অবহেলা আর খামখেয়ালিপনার মাধ্যমে লোকালয়ের আশেপাশে ও খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে। তীব্র রোদে এই ডিমগুলো পচে বাতাসে এমন দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে যে, আশেপাশের বাড়িঘরে টিকাই দায় হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এতে করে বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন।


ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "হ্যাচারির পচা ডিমের গন্ধে আমরা ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও শান্তিতে থাকতে পারছি না। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া বা শ্বাস নেওয়ার পরিবেশটুকুও নষ্ট হয়ে গেছে।" তারা অবিলম্বে এই নষ্ট ডিমগুলো বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা বা নির্দিষ্ট নিরাপদ জায়গায় দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে পরিবেশের ক্ষতি করার অপরাধে হ্যাচারি মালিকদের দ্রুত জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানান তারা।


এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল। হ্যাচারিটি সরকারি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ম মেনে চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা