সৌদিআরবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শামীম হোসেন (৩২) নামে প্রবাসী বাংলাদেশি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৪ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সৌদিআরব দামাম শহরের একটি বাসায় ছাদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালাম (নৈশপ্রহরী)
এর বড় ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান,শামীম হোসেন দুই সন্তানের জনক। স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকায় শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করতেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদিআরবে যান।
এরপর থেকে তিনি একটি তেলের পাম্পে কাজ শুরু করেন। গত বৃহস্পতিবার সৌদি সময় ৫টার দিকে শুকনো কাপড় তুলতে বাসার ছাঁদে যান। এসময় বৈদ্যুতিক তারের সাথে জড়িয়ে পরে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে সংবাদ পেয়ে সৌদি পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন। বর্তমানে তার লাশ সৌদিআরবে একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহটি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহতের মা জরিনা বেগম বলেন, ‘ছেলে এমন মৃত্যু মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আল্লাহতালা ছেলেটাকে আমার কাছ থেকে নিয়ে গেলো। এখন ছেলেটির লাশ কবে দেশে আসবে সেটাও বলতে পারছি না। ‘‘আমার ছেলেকে দেশে আইনা দেন।’’
নিহতের বাবা আব্দুস ছালাম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ধার-কর্জ করে পরিবারের সুখের জন্যে ছেলেকে সৌদি পাঠায়। ভালোই ভালোই চলছিল। ধার-দেনা এখনো পরিশোধ করতে পারি নাই। হঠাৎ ছেলের মৃত্যু খবর পেয়ে দিশেহারা হয়ে যান তিনি। ছেলের মরদেহ দেশে আনতে ও পরিবারের পাশে দাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা জানান, সৌদিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শামীম হোসেন নামে এক যুবক মারা গেছে। একটু সুখের আশায় ধার-দেনা করে তার বাবা-মা শামীমকে বিদেশে পাঠায়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। পরিবারটিকে আর্থিকভাবে সরকারি ভাবে সহায়তা করা হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সৌদিআরবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শামীম হোসেন (৩২) নামে প্রবাসী বাংলাদেশি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৪ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সৌদিআরব দামাম শহরের একটি বাসায় ছাদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালাম (নৈশপ্রহরী)
এর বড় ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান,শামীম হোসেন দুই সন্তানের জনক। স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকায় শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করতেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদিআরবে যান।
এরপর থেকে তিনি একটি তেলের পাম্পে কাজ শুরু করেন। গত বৃহস্পতিবার সৌদি সময় ৫টার দিকে শুকনো কাপড় তুলতে বাসার ছাঁদে যান। এসময় বৈদ্যুতিক তারের সাথে জড়িয়ে পরে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে সংবাদ পেয়ে সৌদি পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন। বর্তমানে তার লাশ সৌদিআরবে একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহটি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহতের মা জরিনা বেগম বলেন, ‘ছেলে এমন মৃত্যু মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আল্লাহতালা ছেলেটাকে আমার কাছ থেকে নিয়ে গেলো। এখন ছেলেটির লাশ কবে দেশে আসবে সেটাও বলতে পারছি না। ‘‘আমার ছেলেকে দেশে আইনা দেন।’’
নিহতের বাবা আব্দুস ছালাম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ধার-কর্জ করে পরিবারের সুখের জন্যে ছেলেকে সৌদি পাঠায়। ভালোই ভালোই চলছিল। ধার-দেনা এখনো পরিশোধ করতে পারি নাই। হঠাৎ ছেলের মৃত্যু খবর পেয়ে দিশেহারা হয়ে যান তিনি। ছেলের মরদেহ দেশে আনতে ও পরিবারের পাশে দাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা জানান, সৌদিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শামীম হোসেন নামে এক যুবক মারা গেছে। একটু সুখের আশায় ধার-দেনা করে তার বাবা-মা শামীমকে বিদেশে পাঠায়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। পরিবারটিকে আর্থিকভাবে সরকারি ভাবে সহায়তা করা হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন