সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চাঁদা দেবার পরও কাঙ্খিত চাঁদা না পাওয়ায় মো.আলমাছ মাহমুদ নামের এক সার- কীটনাশক ব্যবসায়িকে বেদম মারপিটের অভিযোগ উঠেছে মো. আজিজুল হক (৩২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো.আজিজুল হক গোন্তা গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগি ব্যবসায়ি মো.আলমাছ মাহমুদ গোন্তা গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে
বিষয়টি তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগি ব্যবসায়ি আলমাছ জানান, তিনি স্থানীয় গোন্তা বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করেন। আর ব্যবসার পুঁজি বাড়াতে গোন্তা বাজারে থাকা তাঁর নিজ নামীয় একটি জায়গা ১৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে তা গত বুধ ক্রেতাকে রেজিষ্টি করে দেন। এরপর জায়গা বিক্রির খবর পেয়ে ওই দিন বিকালে আজিজুল হক আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং আমাকে নানা ভাবে ভয়ভীতি ও ভবিষতে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন। পাশাপাশি আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। এ সময় আমি ভয় পেয়ে তাকে দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৮২ হাজার টাকা প্রদান করি এবং আজিজুল হক টাকা নিয়ে চলেও যান।
কিন্তু বৃহস্পতিবার আজিজুল ফের আরো এক লাখ ১৮ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আজিজুল প্রকাশ্য বাজারে আমাকে গালাগাল শুরু করেন ও আমাকে বেদম মারপিট করতে থাকে। একই সাথে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে বাজারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেন।
অভিযুক্ত মো.আজিজুল হক তার বিরুদ্ধে করা ব্যবসায়ি মো.আলমাছ মাহমুদের চাঁদা দাবী ও মারপিটের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তি জানিয়েছেন, মো.আজিজুল হক দীর্ঘ ৫-৬ বছর যাবত এলাকায় নানা ভাবে চাঁদাবাজী করে আসছেন।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চাঁদা দেবার পরও কাঙ্খিত চাঁদা না পাওয়ায় মো.আলমাছ মাহমুদ নামের এক সার- কীটনাশক ব্যবসায়িকে বেদম মারপিটের অভিযোগ উঠেছে মো. আজিজুল হক (৩২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো.আজিজুল হক গোন্তা গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগি ব্যবসায়ি মো.আলমাছ মাহমুদ গোন্তা গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে
বিষয়টি তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগি ব্যবসায়ি আলমাছ জানান, তিনি স্থানীয় গোন্তা বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করেন। আর ব্যবসার পুঁজি বাড়াতে গোন্তা বাজারে থাকা তাঁর নিজ নামীয় একটি জায়গা ১৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে তা গত বুধ ক্রেতাকে রেজিষ্টি করে দেন। এরপর জায়গা বিক্রির খবর পেয়ে ওই দিন বিকালে আজিজুল হক আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং আমাকে নানা ভাবে ভয়ভীতি ও ভবিষতে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন। পাশাপাশি আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। এ সময় আমি ভয় পেয়ে তাকে দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৮২ হাজার টাকা প্রদান করি এবং আজিজুল হক টাকা নিয়ে চলেও যান।
কিন্তু বৃহস্পতিবার আজিজুল ফের আরো এক লাখ ১৮ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আজিজুল প্রকাশ্য বাজারে আমাকে গালাগাল শুরু করেন ও আমাকে বেদম মারপিট করতে থাকে। একই সাথে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে বাজারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেন।
অভিযুক্ত মো.আজিজুল হক তার বিরুদ্ধে করা ব্যবসায়ি মো.আলমাছ মাহমুদের চাঁদা দাবী ও মারপিটের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তি জানিয়েছেন, মো.আজিজুল হক দীর্ঘ ৫-৬ বছর যাবত এলাকায় নানা ভাবে চাঁদাবাজী করে আসছেন।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন