সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মেঘাই পর্যটন, শহীদ এম মনসুর আলী ইকোপার্ক, মেঘাই যমুনা নদীর তীরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদুল আজহার দিন থেকে আজকে পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে।
যমুনা নদীর তীরে ঘুরতে আসা আশিকুর রহমান বলেন, শহরের জীবন থেকে চাইলেই আর বের হওয়া যায় না। তাই ঈদের ছুটি পেলেই গ্রামে ছোটে আসি। নদীর তীরে এসে ভালো লাগছে। এ যেন এক অন্যরকম পাওয়া। সোনামুখী এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। গ্রামের ছায়াঘেরা আর প্রকৃতি মিশে আছে বাঙ্গালী নদীর তীরে। সেখানে চোখ ফেরালেই দেখা যাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এক সুন্দর পরিসর। সবকিছুই খোলামেলা মনমুগ্ধ পরিবেশ। এ যেন প্রকৃতির মাঝে এক অপরূপ সৌন্দার্যের হাতছানি।
রবিবার মেঘাই পর্যটন এলাকায় মশিউর রহমান ও ফাগুন নামের একজন বলেন, আমরা বগুড়ার শেরপুর থেকে এখানে বেড়াতে এসেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগল। একই কথা জানিয়ে ধুনট থেকে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম বলেন, এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যে কারো ভালো লাগবে। নদীর ধারে ঘুরতে এসে মনটাও বেশ ফ্রেশ লাগছে।
কাজিপুর উপজেলার মানিকপোটল গ্ৰামের কৃতিসন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিল্লোল তালুকদার জানান, জেলায় ভালো কোনো বিনোদনের স্পট নেই। তাই ঈদে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দার্য উপভোগ করতে দলে দলে ছুটে আসছে মানুষ। সৌন্দর্য পিপাসু লোকজনের নিরাপত্তার প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি প্রয়োজন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মেঘাই পর্যটন, শহীদ এম মনসুর আলী ইকোপার্ক, মেঘাই যমুনা নদীর তীরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদুল আজহার দিন থেকে আজকে পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে।
যমুনা নদীর তীরে ঘুরতে আসা আশিকুর রহমান বলেন, শহরের জীবন থেকে চাইলেই আর বের হওয়া যায় না। তাই ঈদের ছুটি পেলেই গ্রামে ছোটে আসি। নদীর তীরে এসে ভালো লাগছে। এ যেন এক অন্যরকম পাওয়া। সোনামুখী এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। গ্রামের ছায়াঘেরা আর প্রকৃতি মিশে আছে বাঙ্গালী নদীর তীরে। সেখানে চোখ ফেরালেই দেখা যাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এক সুন্দর পরিসর। সবকিছুই খোলামেলা মনমুগ্ধ পরিবেশ। এ যেন প্রকৃতির মাঝে এক অপরূপ সৌন্দার্যের হাতছানি।
রবিবার মেঘাই পর্যটন এলাকায় মশিউর রহমান ও ফাগুন নামের একজন বলেন, আমরা বগুড়ার শেরপুর থেকে এখানে বেড়াতে এসেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগল। একই কথা জানিয়ে ধুনট থেকে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম বলেন, এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যে কারো ভালো লাগবে। নদীর ধারে ঘুরতে এসে মনটাও বেশ ফ্রেশ লাগছে।
কাজিপুর উপজেলার মানিকপোটল গ্ৰামের কৃতিসন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিল্লোল তালুকদার জানান, জেলায় ভালো কোনো বিনোদনের স্পট নেই। তাই ঈদে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দার্য উপভোগ করতে দলে দলে ছুটে আসছে মানুষ। সৌন্দর্য পিপাসু লোকজনের নিরাপত্তার প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন