সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় একটি লোকালয়ে মুখ-কালো হনুমান দেখা যাওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আজ সকাল ১১টার সময় উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের একটি কাঁঠাল গাছের মগডালে হনুমানটিকে বসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।
বোয়ালীয়া গ্রামের বাসিন্দারা মীর বকুল হোসেন জানান, আজ সকালে হঠাৎ করেই বিশালাকার মুখ-কালো হনুমানটি গ্রামের একটি বড় কাঁঠাল গাছে এসে আশ্রয় নেয়। খবরটি মুহূর্তের মধ্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের কয়েক গ্রামের শত শত মানুষ হনুমানটিকে একনজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করে। উৎসুক জনতার অনেকে হনুমানটিকে লক্ষ্য করে কলা, পাউরুটি ও অন্যান্য ফলমূল ছুড়ে দিচ্ছে। তবে হনুমানটি মানুষের উপস্থিতি দেখে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে গাছের মগডালে চুপচাপ বসে আছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা আরিফুর ইসলাম বলেন, "আমাদের এলাকায় সাধারণত হনুমান দেখা যায় না। সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ গাছের ওপরে হনুমানটিকে দেখে প্রথমে আমরা চমকে যাই। পরে সবাই মিলে এটি দেখতে আসি। তবে কেউ যেন প্রাণীটিকে ঢিল মেরে বা বিরক্ত করে আঘাত না করে, সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।"
খাবারের সন্ধানে বা কোনো ফলবাহী ট্রাকের ছাদে চড়ে হনুমানটি লোকালয়ে চলে আসতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা। বন্য এই প্রাণীটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে বা বনে অবমুক্ত করার জন্য স্থানীয়রা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হনুমানটি ওই কাঁঠাল গাছেই অবস্থান করছিল।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় একটি লোকালয়ে মুখ-কালো হনুমান দেখা যাওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আজ সকাল ১১টার সময় উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের একটি কাঁঠাল গাছের মগডালে হনুমানটিকে বসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।
বোয়ালীয়া গ্রামের বাসিন্দারা মীর বকুল হোসেন জানান, আজ সকালে হঠাৎ করেই বিশালাকার মুখ-কালো হনুমানটি গ্রামের একটি বড় কাঁঠাল গাছে এসে আশ্রয় নেয়। খবরটি মুহূর্তের মধ্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের কয়েক গ্রামের শত শত মানুষ হনুমানটিকে একনজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করে। উৎসুক জনতার অনেকে হনুমানটিকে লক্ষ্য করে কলা, পাউরুটি ও অন্যান্য ফলমূল ছুড়ে দিচ্ছে। তবে হনুমানটি মানুষের উপস্থিতি দেখে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে গাছের মগডালে চুপচাপ বসে আছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা আরিফুর ইসলাম বলেন, "আমাদের এলাকায় সাধারণত হনুমান দেখা যায় না। সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ গাছের ওপরে হনুমানটিকে দেখে প্রথমে আমরা চমকে যাই। পরে সবাই মিলে এটি দেখতে আসি। তবে কেউ যেন প্রাণীটিকে ঢিল মেরে বা বিরক্ত করে আঘাত না করে, সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।"
খাবারের সন্ধানে বা কোনো ফলবাহী ট্রাকের ছাদে চড়ে হনুমানটি লোকালয়ে চলে আসতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা। বন্য এই প্রাণীটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে বা বনে অবমুক্ত করার জন্য স্থানীয়রা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হনুমানটি ওই কাঁঠাল গাছেই অবস্থান করছিল।

আপনার মতামত লিখুন