সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের গুড়মা গ্রামে ১ বছরের প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে দুই সন্তানের এক জননী অনশন শুরু করেছেন। গতকাল বিকেল থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন ওই নারী। ঘটনার পর থেকে প্রেমিক যুবক বাড়ি থেকে পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সুহারা শামপুড় গ্রামের আ: তালেবের মেয়ে তাসলিমা খাতুন (৩০) এর সাথে একই উপজেলার গুড়মা গ্রামের বাবলুর ছেলে নাহিদ (১৭) এর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
ভুক্তভোগী তাসলিমা খাতুন জানান, নাহিদের সাথে তার গত এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাহিদ তার কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু সম্প্রতি বিয়ে করার কথা বললে নাহিদ তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসলিমা বলেন, "নাহিদ আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে টাকাও নিয়েছে, আবার এখন বিয়ে করতে চাইছে না। কোনো উপায় না পেয়ে আমি আজ ওর বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেছি। ও আমাকে বিয়ে না করলে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।"
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা গা ঢাকা দেওয়ায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই নারী যুবকের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। অনশনকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমতে দেখা গেছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের গুড়মা গ্রামে ১ বছরের প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে দুই সন্তানের এক জননী অনশন শুরু করেছেন। গতকাল বিকেল থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন ওই নারী। ঘটনার পর থেকে প্রেমিক যুবক বাড়ি থেকে পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সুহারা শামপুড় গ্রামের আ: তালেবের মেয়ে তাসলিমা খাতুন (৩০) এর সাথে একই উপজেলার গুড়মা গ্রামের বাবলুর ছেলে নাহিদ (১৭) এর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
ভুক্তভোগী তাসলিমা খাতুন জানান, নাহিদের সাথে তার গত এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাহিদ তার কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু সম্প্রতি বিয়ে করার কথা বললে নাহিদ তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসলিমা বলেন, "নাহিদ আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে টাকাও নিয়েছে, আবার এখন বিয়ে করতে চাইছে না। কোনো উপায় না পেয়ে আমি আজ ওর বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেছি। ও আমাকে বিয়ে না করলে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।"
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা গা ঢাকা দেওয়ায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই নারী যুবকের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। অনশনকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমতে দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন