আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যবাহী চিত্রই এখন বিলুপ্তপ্রায়। তবে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এখনো দেখা মেলে গ্রামীণ জীবনের সেই চিরচেনা ও মনকাড়া রূপ। সম্প্রতি উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় দেখা গেছে তেমনই এক নজরকাড়া দৃশ্য— মাঠের কাজ শেষ করে এক কৃষক আপন মনে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ির পথ ধরেছেন।
আজকাল গ্রামীণ কৃষিতে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়েছে। ফলে আগের মতো লাঙল-জোয়াল বা গবাদি পশুর ব্যবহার অনেকটাই কমে এসেছে। কিন্তু বেরখালি এলাকার এই চিত্রটি যেন মুহূর্তের জন্য সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় পুরোনো দিনে।
বিকেলের সোনাঝরা রোদে মাঠের সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন ওই কৃষক তার শান্ত মহিষটির পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন চারপাশের পরিবেশ জুড়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। স্থানীয় পথচারী ও গ্রামবাসীদের অনেকেরই নজর কাড়ে এই দৃশ্যটি।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এখনকার দিনে এমন দৃশ্য সত্যিই বিরল। একসময় আমাদের এলাকায় প্রায় প্রতি ঘরেই মহিষ ও গরু পালন করা হতো। মাঠের ফসল আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে যাতায়াতের মাধ্যমও ছিল এগুলো। যান্ত্রিকতার যুগে বেরখালি এলাকায় এই দৃশ্যটি দেখে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।"
গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই খণ্ডচিত্রটি যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার রূপকে মনে করিয়ে দেয়, তেমনই প্রমাণ করে— শত আধুনিকতার ভিড়েও বুক চিরে বেঁচে আছে আমাদের শেকড়ের সংস্কৃতি।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যবাহী চিত্রই এখন বিলুপ্তপ্রায়। তবে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এখনো দেখা মেলে গ্রামীণ জীবনের সেই চিরচেনা ও মনকাড়া রূপ। সম্প্রতি উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় দেখা গেছে তেমনই এক নজরকাড়া দৃশ্য— মাঠের কাজ শেষ করে এক কৃষক আপন মনে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ির পথ ধরেছেন।
আজকাল গ্রামীণ কৃষিতে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়েছে। ফলে আগের মতো লাঙল-জোয়াল বা গবাদি পশুর ব্যবহার অনেকটাই কমে এসেছে। কিন্তু বেরখালি এলাকার এই চিত্রটি যেন মুহূর্তের জন্য সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় পুরোনো দিনে।
বিকেলের সোনাঝরা রোদে মাঠের সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন ওই কৃষক তার শান্ত মহিষটির পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন চারপাশের পরিবেশ জুড়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। স্থানীয় পথচারী ও গ্রামবাসীদের অনেকেরই নজর কাড়ে এই দৃশ্যটি।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এখনকার দিনে এমন দৃশ্য সত্যিই বিরল। একসময় আমাদের এলাকায় প্রায় প্রতি ঘরেই মহিষ ও গরু পালন করা হতো। মাঠের ফসল আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে যাতায়াতের মাধ্যমও ছিল এগুলো। যান্ত্রিকতার যুগে বেরখালি এলাকায় এই দৃশ্যটি দেখে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।"
গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই খণ্ডচিত্রটি যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার রূপকে মনে করিয়ে দেয়, তেমনই প্রমাণ করে— শত আধুনিকতার ভিড়েও বুক চিরে বেঁচে আছে আমাদের শেকড়ের সংস্কৃতি।

আপনার মতামত লিখুন