সাব্বির মির্জা:
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ঐতিহাসিক নওগাঁ বাজারে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বসছে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট। ঈদ-উল-আযহা সামনে রেখে বর্তমান সময়ে এই হাটে গরু, মহিষ ও ছাগলের সরবরাহ এবং বেচাকেনা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সারি সারি গরু ও মহিষ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও রায়গঞ্জ উপজেলা থেকেও শত শত বিক্রেতা তাদের পশু নিয়ে এই হাটে এসেছেন। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি ও বড় সাইজের গরুর আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল থেকেই পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে নওগাঁ বাজার। পাবনা, নাটোর ও ঢাকা থেকে আসা পাইকাররা ট্রাক বোঝাই করে গরু নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা থেকে গরু কিনতে আশা আব্দুল মমিন জানান, হাটে পশুর সরবরাহ ভালো থাকলেও গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা চড়া বলে দাবি করছেন তিনি।
গুরদাসপুর উপজেলা থেকে গরু বিক্রি করতে আশা ফারুক হোসেন বলেন,গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পেতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় খুশি আমরা।
হাটের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে হাট ইজারাদার এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জালনোট শনাক্তকরণ মেশিন এবং আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতারা কোনো ভোগান্তির শিকার না হন।
নওগাঁ হাটের এই জমজমাট অবস্থা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
সাব্বির মির্জা:
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ঐতিহাসিক নওগাঁ বাজারে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বসছে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট। ঈদ-উল-আযহা সামনে রেখে বর্তমান সময়ে এই হাটে গরু, মহিষ ও ছাগলের সরবরাহ এবং বেচাকেনা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সারি সারি গরু ও মহিষ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও রায়গঞ্জ উপজেলা থেকেও শত শত বিক্রেতা তাদের পশু নিয়ে এই হাটে এসেছেন। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি ও বড় সাইজের গরুর আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল থেকেই পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে নওগাঁ বাজার। পাবনা, নাটোর ও ঢাকা থেকে আসা পাইকাররা ট্রাক বোঝাই করে গরু নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা থেকে গরু কিনতে আশা আব্দুল মমিন জানান, হাটে পশুর সরবরাহ ভালো থাকলেও গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা চড়া বলে দাবি করছেন তিনি।
গুরদাসপুর উপজেলা থেকে গরু বিক্রি করতে আশা ফারুক হোসেন বলেন,গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পেতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় খুশি আমরা।
হাটের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে হাট ইজারাদার এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জালনোট শনাক্তকরণ মেশিন এবং আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতারা কোনো ভোগান্তির শিকার না হন।
নওগাঁ হাটের এই জমজমাট অবস্থা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন