বর্ষার নতুন পানি আসার সঙ্গে সঙ্গেই চলনবিল অঞ্চলে মেতে উঠেছে একশ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারী। নিষিদ্ধ ‘রিং জাল’ (চায়না দুয়ারী) ও কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে নিধন করা হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মা ও পোনা মাছ। এর ফলে চলনবিলে জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আষাঢ়-শ্রাবণের নতুন পানিতে চলনবিলে মাছ ডিম ছাড়তে শুরু করেছে। এই সুযোগে তাড়াশসহ চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে পেতে রাখা হচ্ছে সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত রিং জাল। এই জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ডিম্বোলা মা মাছ—কোনো কিছুই রক্ষা পাচ্ছে না। হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ জাল ও পোনা মাছ।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাসির উদ্দীন জানান, নিষিদ্ধ রিং জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক বড় অভিশাপ। তিনি আরও বলেন,নতুন পানি আসার পর থেকেই চলনবিলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধির মোক্ষম সময়। এই সময়ে একশ্রেণীর অসাধু জেলে আইন অমান্য করে রিং জাল ব্যবহার করছেন। আমরা ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে তদারকি শুরু করেছি। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
চলনবিলে রিং জালের ব্যবহার এবং পোনা মাছ নিধনের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান তিনি বলেন, চলনবিলের মৎস্য ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। নিষিদ্ধ রিং জাল দিয়ে মা ও পোনা মাছ ধ্বংস করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা খুব দ্রুতই চলনবিলের বিভিন্ন পয়েন্টে এবং হাট-বাজারগুলোতে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করব। যারা এই অবৈধ জাল তৈরি, বিক্রি বা মাছ শিকারে ব্যবহার করছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের মতে, শুধু অভিযান চালিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য জেলেদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রিং জাল বিক্রির উৎসগুলো বন্ধ করা জরুরি। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে চলনবিল এক সময় দেশীয় মাছ শূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
বর্ষার নতুন পানি আসার সঙ্গে সঙ্গেই চলনবিল অঞ্চলে মেতে উঠেছে একশ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারী। নিষিদ্ধ ‘রিং জাল’ (চায়না দুয়ারী) ও কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে নিধন করা হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মা ও পোনা মাছ। এর ফলে চলনবিলে জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আষাঢ়-শ্রাবণের নতুন পানিতে চলনবিলে মাছ ডিম ছাড়তে শুরু করেছে। এই সুযোগে তাড়াশসহ চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে পেতে রাখা হচ্ছে সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত রিং জাল। এই জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ডিম্বোলা মা মাছ—কোনো কিছুই রক্ষা পাচ্ছে না। হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ জাল ও পোনা মাছ।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাসির উদ্দীন জানান, নিষিদ্ধ রিং জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক বড় অভিশাপ। তিনি আরও বলেন,নতুন পানি আসার পর থেকেই চলনবিলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধির মোক্ষম সময়। এই সময়ে একশ্রেণীর অসাধু জেলে আইন অমান্য করে রিং জাল ব্যবহার করছেন। আমরা ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে তদারকি শুরু করেছি। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
চলনবিলে রিং জালের ব্যবহার এবং পোনা মাছ নিধনের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান তিনি বলেন, চলনবিলের মৎস্য ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। নিষিদ্ধ রিং জাল দিয়ে মা ও পোনা মাছ ধ্বংস করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা খুব দ্রুতই চলনবিলের বিভিন্ন পয়েন্টে এবং হাট-বাজারগুলোতে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করব। যারা এই অবৈধ জাল তৈরি, বিক্রি বা মাছ শিকারে ব্যবহার করছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের মতে, শুধু অভিযান চালিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য জেলেদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রিং জাল বিক্রির উৎসগুলো বন্ধ করা জরুরি। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে চলনবিল এক সময় দেশীয় মাছ শূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন