রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাবরণের মতো কঠিন সময় পার করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাননি তিনি। বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময়কার তাঁর কারাবরণের বেশ কিছু স্থিরচিত্র এখনো তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সেই কঠিন দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
দলের নেতাকর্মীদের কাছে এসব ছবি কেবল স্মৃতি নয়; বরং দুঃসময়ে দলের পাশে থাকার এক অবিচল অধ্যায়ের জীবন্ত সাক্ষ্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর নাড়ির টান একটুও কমেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন: উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মন্ডল বলেন, "দলের কঠিন সময়ে শামসুল ইসলাম সবসময় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর কারাবরণের ইতিহাস আমাদের রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এমন একজন প্রবীণ নেতার অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক দলের জন্য বড় সম্পদ।"সংগ্রামের দিনগুলো: উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান জানান, শামসুল ইসলাম দলের দুঃসময়ের পরিচিত মুখ। শত প্রতিকূলতার মুখেও তিনি দল ছেড়ে যাননি। তাঁর পুরোনো দিনের ছবিগুলো দেখলে সেই কঠিন দিনগুলোর আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
যা বললেন শামসুল ইসলাম
নিজের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম বলেন, "দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে জীবনে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি, কারাবরণও করতে হয়েছে; কিন্তু এ নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। রাজনীতিতে কী পেলাম আর কী হারালাম—কখনো সেই হিসাব করিনি। যতদিন বেঁচে আছি, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "দুঃসময়ে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের ছায়ায় থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মীর মূল দায়িত্ব। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই দলের আসল শক্তি। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে পারাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।"
তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ
বয়স বাড়লেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে শামসুল ইসলামের যোগাযোগে ভাটা পড়েনি। নিয়মিত দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
ব্যক্তিগত প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাবকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের বাকি সময়টুকু দলের তৃণমূলের সঙ্গেই কাটিয়ে দিতে চান এই প্রবীণ নেতা। তাঁর কাছে পুরোনো দিনের কারাবরণ ও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম কেবল স্মৃতি নয়, বরং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে পথচলার অমূল্য অর্জন। সময়ের পালাবদলে রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলালেও তৃণমূলের পাশে থাকার এই অবিচল প্রত্যয়ই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূল বার্তা হয়ে আছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাবরণের মতো কঠিন সময় পার করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাননি তিনি। বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময়কার তাঁর কারাবরণের বেশ কিছু স্থিরচিত্র এখনো তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সেই কঠিন দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
দলের নেতাকর্মীদের কাছে এসব ছবি কেবল স্মৃতি নয়; বরং দুঃসময়ে দলের পাশে থাকার এক অবিচল অধ্যায়ের জীবন্ত সাক্ষ্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর নাড়ির টান একটুও কমেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন: উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মন্ডল বলেন, "দলের কঠিন সময়ে শামসুল ইসলাম সবসময় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর কারাবরণের ইতিহাস আমাদের রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এমন একজন প্রবীণ নেতার অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক দলের জন্য বড় সম্পদ।"সংগ্রামের দিনগুলো: উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান জানান, শামসুল ইসলাম দলের দুঃসময়ের পরিচিত মুখ। শত প্রতিকূলতার মুখেও তিনি দল ছেড়ে যাননি। তাঁর পুরোনো দিনের ছবিগুলো দেখলে সেই কঠিন দিনগুলোর আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
যা বললেন শামসুল ইসলাম
নিজের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম বলেন, "দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে জীবনে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি, কারাবরণও করতে হয়েছে; কিন্তু এ নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। রাজনীতিতে কী পেলাম আর কী হারালাম—কখনো সেই হিসাব করিনি। যতদিন বেঁচে আছি, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "দুঃসময়ে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের ছায়ায় থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মীর মূল দায়িত্ব। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই দলের আসল শক্তি। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে পারাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।"
তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ
বয়স বাড়লেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে শামসুল ইসলামের যোগাযোগে ভাটা পড়েনি। নিয়মিত দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
ব্যক্তিগত প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাবকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের বাকি সময়টুকু দলের তৃণমূলের সঙ্গেই কাটিয়ে দিতে চান এই প্রবীণ নেতা। তাঁর কাছে পুরোনো দিনের কারাবরণ ও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম কেবল স্মৃতি নয়, বরং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে পথচলার অমূল্য অর্জন। সময়ের পালাবদলে রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলালেও তৃণমূলের পাশে থাকার এই অবিচল প্রত্যয়ই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূল বার্তা হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন