সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনৈতিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মো. ওবায়দুর রহমানের সাথে এক নারীর ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
জেলা বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে ওবায়দুর রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে যেকোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন জানান,
"ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় সভায় তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যক্তিবিশেষের অপকর্মের দায় বিএনপি কখনো নেবে না। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে তাঁর বিরুদ্ধেও একই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. ওবায়দুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনৈতিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মো. ওবায়দুর রহমানের সাথে এক নারীর ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
জেলা বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে ওবায়দুর রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে যেকোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন জানান,
"ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় সভায় তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যক্তিবিশেষের অপকর্মের দায় বিএনপি কখনো নেবে না। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে তাঁর বিরুদ্ধেও একই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. ওবায়দুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন