ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি জমি দখল করে অবৈধ দোকানপাট গড়ে তোলায় একদিকে সড়কের স্বাভাবিক প্রশস্ততা কমে সংকুচিত হয়ে পড়েছিল, অন্যদিকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও সাধারণ পথচারীদের যাতায়াতে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল। ফলে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে এ সমন্বিত পদক্ষেপ নেয় জেলা প্রশাসন।
অভিযানের সূচনা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মুখভাগ থেকে। পরবর্তীতে ভাঙ্গা-ফরিদপুর গোয়ালচামট সড়কের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এলাকা হয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড় পর্যন্ত সওজের আওতাধীন জমিতে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়। অভিযানে পাকা-আধাপাকা কাঠামোসহ অস্থায়ী সব দোকানপাট বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং হাসপাতাল এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উচ্ছেদ অভিযানকালে সড়ক বিভাগ, জেলা পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
এ উচ্ছেদ অভিযানের জন্য সাধারণ জনগন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি শামা ওবায়েদ, সদর ৩ আসনের সাংসদ চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ও সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাবোধ প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি জমি দখল করে অবৈধ দোকানপাট গড়ে তোলায় একদিকে সড়কের স্বাভাবিক প্রশস্ততা কমে সংকুচিত হয়ে পড়েছিল, অন্যদিকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও সাধারণ পথচারীদের যাতায়াতে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল। ফলে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে এ সমন্বিত পদক্ষেপ নেয় জেলা প্রশাসন।
অভিযানের সূচনা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মুখভাগ থেকে। পরবর্তীতে ভাঙ্গা-ফরিদপুর গোয়ালচামট সড়কের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এলাকা হয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড় পর্যন্ত সওজের আওতাধীন জমিতে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়। অভিযানে পাকা-আধাপাকা কাঠামোসহ অস্থায়ী সব দোকানপাট বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং হাসপাতাল এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উচ্ছেদ অভিযানকালে সড়ক বিভাগ, জেলা পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
এ উচ্ছেদ অভিযানের জন্য সাধারণ জনগন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি শামা ওবায়েদ, সদর ৩ আসনের সাংসদ চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ও সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাবোধ প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন