সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক পিকআপ চালকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি—এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা নিহতের মরদেহ মহাসড়কে রেখে অবরোধ করেন। এতে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের পাটধারী বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত চালকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভোরে একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হলে চালক গুরুতর আহত হয়ে সড়কে পড়ে থাকেন। স্থানীয়রা দাবি করেন, তারা একাধিকবার হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় ফোন করে বিষয়টি জানালেও পুলিশ দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহত চালককে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করলে হয়তো তার প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নিহতের মরদেহ মহাসড়কে রেখে অবরোধ শুরু করেন।
অবরোধকারীদের একজন বলেন, “দুর্ঘটনার পর আমরা বারবার পুলিশকে ফোন করেছি। কিন্তু তারা সময়মতো আসেনি। পুলিশ দ্রুত এলে চালককে বাঁচানো যেত। এর জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আমরা সড়ক ছাড়ব না।”
অবরোধের ফলে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও চালকদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ডিউটি অফিসার সানোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, “জরুরি সেবার মাধ্যমে খবর পাওয়ার পরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছি।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহত পিকআপ চালকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব করেছে কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক পিকআপ চালকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি—এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা নিহতের মরদেহ মহাসড়কে রেখে অবরোধ করেন। এতে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের পাটধারী বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত চালকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভোরে একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হলে চালক গুরুতর আহত হয়ে সড়কে পড়ে থাকেন। স্থানীয়রা দাবি করেন, তারা একাধিকবার হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় ফোন করে বিষয়টি জানালেও পুলিশ দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহত চালককে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করলে হয়তো তার প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নিহতের মরদেহ মহাসড়কে রেখে অবরোধ শুরু করেন।
অবরোধকারীদের একজন বলেন, “দুর্ঘটনার পর আমরা বারবার পুলিশকে ফোন করেছি। কিন্তু তারা সময়মতো আসেনি। পুলিশ দ্রুত এলে চালককে বাঁচানো যেত। এর জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আমরা সড়ক ছাড়ব না।”
অবরোধের ফলে পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও চালকদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ডিউটি অফিসার সানোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, “জরুরি সেবার মাধ্যমে খবর পাওয়ার পরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছি।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহত পিকআপ চালকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব করেছে কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন