রাজশাহীর চারঘাটে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্রাট ইসলাম (৩০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের নথি অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে রাজশাহী জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের গডফাদার সম্রাট কে ধরতে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্রাট ইসলাম চারঘাট উপজেলার ঝিকরা (জোয়ার্দারপাড়া) গ্রামের নকিম উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের নথিতে তার বিরুদ্ধে ২০২১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং দণ্ডবিধির ধারায় করা মামলাও রয়েছে।
নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর চারঘাট থানায় দায়ের করা একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩০৪ ধারায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্টে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলাসহ পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি মামলায় তার নাম আসে। এসব মামলার কয়েকটিতে আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে।
পুলিশের নথিতে তার বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্যও রয়েছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ১৩ আগস্ট চারঘাটে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও সম্রাটকে পলাতক আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে ২০০ পিস মাদকদ্রব্য উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্রাট দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং মাদক কারবারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। এলাকার মানুষ অপরাধ জগতের গডফাদার সম্রাটের ভয়ে এলাকাবাসী চরম আতঙ্কিত। সম্রাট বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। তার মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে হয়রানি, হামলা শিকার হতে হয় স্থানীয়দের।
তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও তার সম্পদের উৎস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার নেপথ্যের এই কথিত গডফাদারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে তার মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহীর চারঘাটে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্রাট ইসলাম (৩০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের নথি অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে রাজশাহী জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের গডফাদার সম্রাট কে ধরতে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্রাট ইসলাম চারঘাট উপজেলার ঝিকরা (জোয়ার্দারপাড়া) গ্রামের নকিম উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের নথিতে তার বিরুদ্ধে ২০২১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং দণ্ডবিধির ধারায় করা মামলাও রয়েছে।
নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর চারঘাট থানায় দায়ের করা একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩০৪ ধারায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্টে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলাসহ পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি মামলায় তার নাম আসে। এসব মামলার কয়েকটিতে আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে।
পুলিশের নথিতে তার বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্যও রয়েছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ১৩ আগস্ট চারঘাটে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও সম্রাটকে পলাতক আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে ২০০ পিস মাদকদ্রব্য উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্রাট দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং মাদক কারবারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। এলাকার মানুষ অপরাধ জগতের গডফাদার সম্রাটের ভয়ে এলাকাবাসী চরম আতঙ্কিত। সম্রাট বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। তার মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে হয়রানি, হামলা শিকার হতে হয় স্থানীয়দের।
তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও তার সম্পদের উৎস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার নেপথ্যের এই কথিত গডফাদারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে তার মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন