সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, থানা কম্পাউন্ডে বিএনপি নেতাকে মারধর, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার দলীয় পদ ও সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ০৮ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজাদ হোসেনের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলীয় পদ স্থগিত থাকবে বলে দলীয় সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড, নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ উল্লাপাড়া মডেল থানার কম্পাউন্ডে বিএনপির এক নেতাকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।
এ ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয় বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক ভাবমূর্তি রক্ষার্থে জেলা বিএনপি আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থগিতাদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত আজাদ হোসেন বিএনপির কোনো রাজনৈতিক, সাংগঠনিক কিংবা দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
এদিকে, আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির এমন সাংগঠনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে উল্লাপাড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আজাদ হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, থানা কম্পাউন্ডে বিএনপি নেতাকে মারধর, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার দলীয় পদ ও সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ০৮ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজাদ হোসেনের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলীয় পদ স্থগিত থাকবে বলে দলীয় সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড, নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ উল্লাপাড়া মডেল থানার কম্পাউন্ডে বিএনপির এক নেতাকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।
এ ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয় বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক ভাবমূর্তি রক্ষার্থে জেলা বিএনপি আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থগিতাদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত আজাদ হোসেন বিএনপির কোনো রাজনৈতিক, সাংগঠনিক কিংবা দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
এদিকে, আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির এমন সাংগঠনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে উল্লাপাড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আজাদ হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন