ফরিদপুরে জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই (জকী) এর বিরুদ্ধে।
আজ ৫ আগস্ট উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আয়োজিত বিশেষ শ্রদ্ধা ও স্মরণসভায় পৌরসভার অন্যান্য সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থাকলেও রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন সিইও। সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে যখন যথাযোগ্য মর্যাদায় এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে, তখন দায়িত্বশীল পদে থেকেও তার এই অনুপস্থিতি সচেতন মহলের মনে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
জানা যায়, কর্মসূচির নির্ধারিত স্থান জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আজ পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলেও দেখা মেলেনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ জকীর।
সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত এই অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে এবং তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের সকল রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অত্যন্ত সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। আওয়ামী মতাদর্শের প্রচার-প্রচারণায় তিনি নিয়মিত পোস্ট দিতেন। অথচ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর থেকে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেমে আসে নীরবতা।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বয়কটের মাধ্যমে তিনি আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—পতিত স্বৈরাচারী লীগকে খুশি রাখতেই কি তিনি এই অভ্যুত্থানের অনুষ্ঠান এড়িয়ে চললেন? পাশাপাশি, রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে এমন এক চিহ্নিত আওয়ামী দোসর কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ফরিদপুর পৌরসভায় বহাল তবিয়তে প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করছেন, তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ দ্রুত তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ জকি র সাথে সংযোগ সম্ভব হয়নি তবে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায় তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটিতে আছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরে জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই (জকী) এর বিরুদ্ধে।
আজ ৫ আগস্ট উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আয়োজিত বিশেষ শ্রদ্ধা ও স্মরণসভায় পৌরসভার অন্যান্য সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থাকলেও রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন সিইও। সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে যখন যথাযোগ্য মর্যাদায় এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে, তখন দায়িত্বশীল পদে থেকেও তার এই অনুপস্থিতি সচেতন মহলের মনে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
জানা যায়, কর্মসূচির নির্ধারিত স্থান জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আজ পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলেও দেখা মেলেনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ জকীর।
সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত এই অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে এবং তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের সকল রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অত্যন্ত সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। আওয়ামী মতাদর্শের প্রচার-প্রচারণায় তিনি নিয়মিত পোস্ট দিতেন। অথচ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর থেকে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেমে আসে নীরবতা।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বয়কটের মাধ্যমে তিনি আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—পতিত স্বৈরাচারী লীগকে খুশি রাখতেই কি তিনি এই অভ্যুত্থানের অনুষ্ঠান এড়িয়ে চললেন? পাশাপাশি, রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে এমন এক চিহ্নিত আওয়ামী দোসর কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ফরিদপুর পৌরসভায় বহাল তবিয়তে প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করছেন, তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ দ্রুত তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ জকি র সাথে সংযোগ সম্ভব হয়নি তবে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায় তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটিতে আছেন।

আপনার মতামত লিখুন