সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত "রায়গঞ্জ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট" উপজেলা সদরেই স্থাপনের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি ইনস্টিটিউটটি অন্য কোনো স্থানে স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় অনেকেই দাবি করছেন, প্রতিষ্ঠানের নাম যেহেতু "রায়গঞ্জ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট", তাই এটি উপজেলা সদরেই স্থাপন করা উচিত। তাদের ভাষ্য, অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা রায়গঞ্জবাসীর প্রত্যাশার পরিপন্থী হবে।
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট ও মন্তব্যে কেউ কেউ সতর্ক করে বলেছেন, ইনস্টিটিউটটি অন্যত্র নেওয়ার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে স্থানীয় জনগণ গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ করবেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ইনস্টিটিউটের স্থান নির্ধারণ বা স্থান পরিবর্তরের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সেটিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জনগণের স্বার্থ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এ বিষয়ে দ্রুত আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত "রায়গঞ্জ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট" উপজেলা সদরেই স্থাপনের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি ইনস্টিটিউটটি অন্য কোনো স্থানে স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় অনেকেই দাবি করছেন, প্রতিষ্ঠানের নাম যেহেতু "রায়গঞ্জ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট", তাই এটি উপজেলা সদরেই স্থাপন করা উচিত। তাদের ভাষ্য, অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা রায়গঞ্জবাসীর প্রত্যাশার পরিপন্থী হবে।
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট ও মন্তব্যে কেউ কেউ সতর্ক করে বলেছেন, ইনস্টিটিউটটি অন্যত্র নেওয়ার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে স্থানীয় জনগণ গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ করবেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ইনস্টিটিউটের স্থান নির্ধারণ বা স্থান পরিবর্তরের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সেটিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জনগণের স্বার্থ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এ বিষয়ে দ্রুত আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়।

আপনার মতামত লিখুন