সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মো. সোহান প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং পরবর্তীতে একটি পা হারিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা লাগাতে না পেরে সোহান ও তার পরিবার এখন সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে। নিরুপায় হয়ে তারা সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. সোহান তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয় প্রকল্পের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। এক সময় হাসিখুশি ও কর্মক্ষম সোহান হঠাৎ করেই প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত ইনফেকশন ও অন্যান্য জটিলতার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বা সহায় সম্বলহীন এই যুবকের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক ও হতাশার ছায়া। দিনমজুর বাবা মো. নজরুল ইসলাম নিজের শারীরিক অসুস্থতা আর জমানো কোনো পুঁজি না থাকায় ছেলের চিকিৎসার খরচ মেলাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমানে ওষুধ কেনা তো দূরের কথা, প্রতিদিনের ডাল-ভাতের সংস্থান করতেই তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোহানের পরিবার জানান, সমাজের একটু সহানুভূতি এবং সামান্য আর্থিক সহযোগিতা পেলে হয়তো সোহান কিছুটা হলেও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা দেখতে পেত। কিন্তু অর্থাভাবে আজ ধুঁকে ধুঁকে মরতে বসেছে সে।
সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
সোহানের চিকিৎসায় সহায়তা পাঠাতে অথবা যোগাযোগের জন্য তার বাবার ব্যবহৃত নাম্বারে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন:
মোবাইল নাম্বার (বাবার নাম্বার): 01722696831
দেশবাসীর সম্মিলিত একটু সহযোগিতা এবং মানবিক উদ্যোগই পারে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত ও এক পা হারানো অসহায় সোহানের পরিবারকে এই চরম দুর্দিন থেকে রক্ষা করতে। আপনার সামান্য সাহায্য বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তরুণ জীবনকে। আসুন, আমরা যে যার অবস্থান থেকে সোহানের পাশে দাঁড়াই।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মো. সোহান প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং পরবর্তীতে একটি পা হারিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা লাগাতে না পেরে সোহান ও তার পরিবার এখন সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে। নিরুপায় হয়ে তারা সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. সোহান তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয় প্রকল্পের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। এক সময় হাসিখুশি ও কর্মক্ষম সোহান হঠাৎ করেই প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত ইনফেকশন ও অন্যান্য জটিলতার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বা সহায় সম্বলহীন এই যুবকের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক ও হতাশার ছায়া। দিনমজুর বাবা মো. নজরুল ইসলাম নিজের শারীরিক অসুস্থতা আর জমানো কোনো পুঁজি না থাকায় ছেলের চিকিৎসার খরচ মেলাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমানে ওষুধ কেনা তো দূরের কথা, প্রতিদিনের ডাল-ভাতের সংস্থান করতেই তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোহানের পরিবার জানান, সমাজের একটু সহানুভূতি এবং সামান্য আর্থিক সহযোগিতা পেলে হয়তো সোহান কিছুটা হলেও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা দেখতে পেত। কিন্তু অর্থাভাবে আজ ধুঁকে ধুঁকে মরতে বসেছে সে।
সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
সোহানের চিকিৎসায় সহায়তা পাঠাতে অথবা যোগাযোগের জন্য তার বাবার ব্যবহৃত নাম্বারে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন:
মোবাইল নাম্বার (বাবার নাম্বার): 01722696831
দেশবাসীর সম্মিলিত একটু সহযোগিতা এবং মানবিক উদ্যোগই পারে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত ও এক পা হারানো অসহায় সোহানের পরিবারকে এই চরম দুর্দিন থেকে রক্ষা করতে। আপনার সামান্য সাহায্য বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তরুণ জীবনকে। আসুন, আমরা যে যার অবস্থান থেকে সোহানের পাশে দাঁড়াই।

আপনার মতামত লিখুন