সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় মৎস্য আইন বাস্তবায়নে একটি বিশেষ মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানকালে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ হাট থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। বাজার মনিটরিং ও দেশীয় মাছ রক্ষায় পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তাড়াশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন।
অভিযানকালে নওগাঁ হাটে মৎস্য আইনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্রি করতে থাকা আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা বাজারমূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব ক্ষতিকারক জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির স্বার্থে ক্ষতিকর কারেন্ট জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযানটিতে সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি দিক দেখভাল করেন তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দীন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাসির উদ্দীন জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করে দেশী মাছের উৎপাদন বাড়াতে তারা বদ্ধপরিকর এবং এ বিষয়ে জেলে ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করার কাজও পাশাপাশি চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় মৎস্য আইন বাস্তবায়নে একটি বিশেষ মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানকালে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ হাট থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। বাজার মনিটরিং ও দেশীয় মাছ রক্ষায় পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তাড়াশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন।
অভিযানকালে নওগাঁ হাটে মৎস্য আইনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্রি করতে থাকা আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা বাজারমূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব ক্ষতিকারক জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নাহিদ হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির স্বার্থে ক্ষতিকর কারেন্ট জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযানটিতে সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি দিক দেখভাল করেন তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দীন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাসির উদ্দীন জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করে দেশী মাছের উৎপাদন বাড়াতে তারা বদ্ধপরিকর এবং এ বিষয়ে জেলে ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করার কাজও পাশাপাশি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন