উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণেরঅভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিংসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে সদর থানায মামলা করেছেন। তবে ঘটনার একদিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানাযায়, শিশুটি দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। রোববার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী এক কিশোর পেয়ারা দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশীর একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে যায়়। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন ওই কিশোর। পরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে শিশুটির এক চাচি এগিয়়ে এলে অভিযুক্ত কিশোর ঘাটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা শিশগুটিকে গুরতর অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরিবিভাগের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে উন্নত চিকিৎসার প্রয়়োজন হওয়়ায তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেলকলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. কামরুন নাহার বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আরও কয়েকদিন পর বিস্তারিতভাবে তার অবস্থা সম্পর্কে বলা সম্ভব হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার তারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মাসুদুর রহমান জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। ঘটনাটিকেসর্বোচ্চ গুরুত্ব দিযে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে ঘটনার পর সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সাতক্ষীরা রিপন বিশ্বাস সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভিক্টিমের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের জন্য দায়িত্বরত চিকিৎসক কে অনুরোধ করেন। এসময় তিনি শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন ও সান্ত্বনা দেন।
এ সময় রিপন বিশ্বাস বলেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিশুটির চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় যেকোনো সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণেরঅভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিংসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে সদর থানায মামলা করেছেন। তবে ঘটনার একদিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানাযায়, শিশুটি দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। রোববার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী এক কিশোর পেয়ারা দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশীর একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে যায়়। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন ওই কিশোর। পরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে শিশুটির এক চাচি এগিয়়ে এলে অভিযুক্ত কিশোর ঘাটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা শিশগুটিকে গুরতর অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরিবিভাগের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে উন্নত চিকিৎসার প্রয়়োজন হওয়়ায তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেলকলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. কামরুন নাহার বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আরও কয়েকদিন পর বিস্তারিতভাবে তার অবস্থা সম্পর্কে বলা সম্ভব হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার তারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মাসুদুর রহমান জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। ঘটনাটিকেসর্বোচ্চ গুরুত্ব দিযে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে ঘটনার পর সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সাতক্ষীরা রিপন বিশ্বাস সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভিক্টিমের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের জন্য দায়িত্বরত চিকিৎসক কে অনুরোধ করেন। এসময় তিনি শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন ও সান্ত্বনা দেন।
এ সময় রিপন বিশ্বাস বলেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিশুটির চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় যেকোনো সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন