সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির জনপ্রিয় নেতা ও চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু শামা সরকার। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতার প্রার্থিতা ঘোষণায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
আবু শামা সরকার দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় ভোটারদের ব্যাপক অনুরোধ ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান, এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার মূল শক্তি।
নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয় হিসেবে তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও দ্রুততর নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়ন।
মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
রাজনৈতিক জীবনে প্রতিকূলতার পাহাড় পাড়ি দিয়েছেন আবু শামা সরকার। দলীয় আদর্শ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তিনি একাধিকবার কারাবরণসহ নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই ত্যাগী নেতা বলেন, "ব্যক্তিগত ভোগান্তির চেয়েও আমার কাছে বড় জনগণের অধিকার রক্ষা ও তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আমি যে আদর্শে বিশ্বাসী, তা নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।"
প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই আবু শামা সরকার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, আবু শামা সরকারের মতো একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে চান্দাইকোনা ইউনিয়ন একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে।
আগামী নির্বাচনে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়ে ইউনিয়নকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান আবু শামা সরকার। তার এই সাহসী ঘোষণায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নতুন করে সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির জনপ্রিয় নেতা ও চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু শামা সরকার। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতার প্রার্থিতা ঘোষণায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
আবু শামা সরকার দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় ভোটারদের ব্যাপক অনুরোধ ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান, এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার মূল শক্তি।
নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয় হিসেবে তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও দ্রুততর নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়ন।
মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
রাজনৈতিক জীবনে প্রতিকূলতার পাহাড় পাড়ি দিয়েছেন আবু শামা সরকার। দলীয় আদর্শ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তিনি একাধিকবার কারাবরণসহ নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই ত্যাগী নেতা বলেন, "ব্যক্তিগত ভোগান্তির চেয়েও আমার কাছে বড় জনগণের অধিকার রক্ষা ও তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আমি যে আদর্শে বিশ্বাসী, তা নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।"
প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই আবু শামা সরকার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, আবু শামা সরকারের মতো একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে চান্দাইকোনা ইউনিয়ন একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে।
আগামী নির্বাচনে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়ে ইউনিয়নকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান আবু শামা সরকার। তার এই সাহসী ঘোষণায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নতুন করে সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন