দৈনিক লাল বার্তা

গাইবান্ধায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ায় দায়িত্বরত ৯ জনকে অব্যাহতি!



গাইবান্ধায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ায় দায়িত্বরত ৯ জনকে অব্যাহতি!

গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ ও দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারসহ ৯ জনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমনটিই জানা গেছে। 

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন-ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম আসাদুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার ও ফুলছড়ি উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মনোয়ার হোসেন, কক্ষ পর্যবেক্ষক ও ওই কলেজের প্রভাষক শৈলান কুমার, তানজিলা খাতুন, হাসান মাহমুদ, সাইফুল বারী, স্মৃতি আক্তার, গোলাম মোস্তফা আকন্দ, সরাবান তহুরা।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার গাইবান্ধা জেলাধীন ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে মোট অনিয়মিত পরীক্ষাথী ১১ জন। কিন্তু নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মাঝে ৫০ জন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুত করা প্রশ্নপত্রে গ্রহণ করা হয়।

 বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিশ্চিত হয়েছেন পরীক্ষা কেন্দ্রটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট মুঠোফোনে কথা বলে।

এছাড়াও এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবকে পাঠানো ঐ চিঠিতে উল্লেখ করেন, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইনে বিষয়টি চরম দায়িত্বে অবহেলার মাঝে পড়ে।

 পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বপালন করা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার, পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক, কক্ষ পর্যবেক্ষকসহ পরীক্ষার কাজে সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কারণে এমন ভুল পরিলক্ষিত হয়। তাই তাদের দায়িত্ব হতে অব্যাহত প্রদান করা হয়। একই চিঠিতে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়া নিয়মিত পরিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রসহ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাযার্লয়ে স্বশরীরে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ও ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে, এ চিঠিটি হওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

প্রকাশ থাকে যে, ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও তাদের অন্যান্য পরীক্ষা ২০২৬ সালের সিলেবাস দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


গাইবান্ধায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ায় দায়িত্বরত ৯ জনকে অব্যাহতি!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image




গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ ও দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারসহ ৯ জনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।


দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমনটিই জানা গেছে। 


দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন-ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম আসাদুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার ও ফুলছড়ি উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মনোয়ার হোসেন, কক্ষ পর্যবেক্ষক ও ওই কলেজের প্রভাষক শৈলান কুমার, তানজিলা খাতুন, হাসান মাহমুদ, সাইফুল বারী, স্মৃতি আক্তার, গোলাম মোস্তফা আকন্দ, সরাবান তহুরা।


পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার গাইবান্ধা জেলাধীন ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে মোট অনিয়মিত পরীক্ষাথী ১১ জন। কিন্তু নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মাঝে ৫০ জন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুত করা প্রশ্নপত্রে গ্রহণ করা হয়।


 বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিশ্চিত হয়েছেন পরীক্ষা কেন্দ্রটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট মুঠোফোনে কথা বলে।


এছাড়াও এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবকে পাঠানো ঐ চিঠিতে উল্লেখ করেন, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইনে বিষয়টি চরম দায়িত্বে অবহেলার মাঝে পড়ে।


 পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বপালন করা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার, পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক, কক্ষ পর্যবেক্ষকসহ পরীক্ষার কাজে সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কারণে এমন ভুল পরিলক্ষিত হয়। তাই তাদের দায়িত্ব হতে অব্যাহত প্রদান করা হয়। একই চিঠিতে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়া নিয়মিত পরিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রসহ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাযার্লয়ে স্বশরীরে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।


সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ও ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে, এ চিঠিটি হওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।


প্রকাশ থাকে যে, ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও তাদের অন্যান্য পরীক্ষা ২০২৬ সালের সিলেবাস দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা