সরকারি অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিলবোর্ড তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোনো ধরনের প্রতিকৃতি (সেটি ৩ডি (3D) বা অন্য যেকোনো আঙ্গিকেরই হোক না কেন) ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণায় ব্যক্তিগত প্রতিকৃতির পরিবর্তে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তুকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে। নতুন এই নির্দেশনার আলোকে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে:
প্রচারণার মূল লক্ষ্য হতে হবে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। ব্যানার বা বিলবোর্ডে অনুষ্ঠানের নাম, সময়, তারিখ এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ এমনভাবে বিন্যাস করতে হবে যাতে তা সহজেই পাঠযোগ্য এবং বোধগম্য হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ছবির পরিবর্তে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুর সাথে সংগতিপূর্ণ গ্রাফিক্স, লোগো, স্লোগান বা সংশ্লিষ্ট বার্তার শৈল্পিক উপস্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। নকশাগুলো এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন তা সরকারি অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য ও উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি প্রচারণাকে আরও বেশি তথ্যভিত্তিক এবং লক্ষ্যকেন্দ্রিক করে তোলা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণায় ব্যক্তিগত প্রতিকৃতির চেয়ে সেবার বার্তা বা উন্নয়নমূলক কাজের তথ্যাবলি বেশি গুরুত্ব পেলে তা জনগণের কাছে সরকারি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেবে।
এখন থেকে সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ের অফিসসমূহকে এই নির্দেশনা মেনে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরি করতে হবে। কোনো অনুষ্ঠানে এই নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটলে তা বিধি মোতাবেক দায় হিসেবে গণ্য হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নতুন এই সিদ্ধান্ত সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনয়ন এবং আধুনিক প্রচার কৌশল অনুসরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
সরকারি অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিলবোর্ড তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোনো ধরনের প্রতিকৃতি (সেটি ৩ডি (3D) বা অন্য যেকোনো আঙ্গিকেরই হোক না কেন) ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণায় ব্যক্তিগত প্রতিকৃতির পরিবর্তে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তুকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে। নতুন এই নির্দেশনার আলোকে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে:
প্রচারণার মূল লক্ষ্য হতে হবে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। ব্যানার বা বিলবোর্ডে অনুষ্ঠানের নাম, সময়, তারিখ এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ এমনভাবে বিন্যাস করতে হবে যাতে তা সহজেই পাঠযোগ্য এবং বোধগম্য হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ছবির পরিবর্তে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুর সাথে সংগতিপূর্ণ গ্রাফিক্স, লোগো, স্লোগান বা সংশ্লিষ্ট বার্তার শৈল্পিক উপস্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। নকশাগুলো এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন তা সরকারি অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য ও উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি প্রচারণাকে আরও বেশি তথ্যভিত্তিক এবং লক্ষ্যকেন্দ্রিক করে তোলা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণায় ব্যক্তিগত প্রতিকৃতির চেয়ে সেবার বার্তা বা উন্নয়নমূলক কাজের তথ্যাবলি বেশি গুরুত্ব পেলে তা জনগণের কাছে সরকারি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেবে।
এখন থেকে সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ের অফিসসমূহকে এই নির্দেশনা মেনে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরি করতে হবে। কোনো অনুষ্ঠানে এই নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটলে তা বিধি মোতাবেক দায় হিসেবে গণ্য হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নতুন এই সিদ্ধান্ত সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনয়ন এবং আধুনিক প্রচার কৌশল অনুসরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন