দৈনিক লাল বার্তা

যমুনার করাল গ্রাসে মুহূর্তেই নদীগর্ভে ৪টি ঘর, নিঃস্ব পরিবারগুলো



যমুনার করাল গ্রাসে মুহূর্তেই নদীগর্ভে ৪টি ঘর, নিঃস্ব পরিবারগুলো

যমুনার রাক্ষসী থাবায় মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ৪টি ঘর। সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা ভাঙনের কবলে পড়ে শুক্রবার চরসলিমাবাদ এলাকায় সর্বস্ব হারিয়েছেন ৪টি পরিবার।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে যমুনার ভাঙন শুরু হয়। তবে শুক্রবার দুপুরের দিকে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই চরসলিমাবাদ এলাকার ৪টি টিনের ঘর আসবাবপত্রসহ যমুনার গর্ভে তলিয়ে যায়। আকস্মিক এই ভাঙনে পরিবারগুলো কিছুই সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি।

মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। সর্বস্ব হারিয়ে তারা এখন চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত থাকায় পাশের ঘরবাড়ির মানুষও আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। যে কোনো মুহূর্তে আরও বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এক গৃহকর্তা কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দুই যুগের সংসার, শেষ সম্বলটুকু যমুনা কেড়ে নিল। এখন সন্তানদের নিয়ে কোথায় যাব, কীভাবে থাকব কিছুই জানি না।"

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রতি বছরই নদী ভাঙন বাঘুটিয়া ইউনিয়নের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে। অথচ দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুর বস্তা ফেলাসহ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


যমুনার করাল গ্রাসে মুহূর্তেই নদীগর্ভে ৪টি ঘর, নিঃস্ব পরিবারগুলো

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image


যমুনার রাক্ষসী থাবায় মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ৪টি ঘর। সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা ভাঙনের কবলে পড়ে শুক্রবার চরসলিমাবাদ এলাকায় সর্বস্ব হারিয়েছেন ৪টি পরিবার।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে যমুনার ভাঙন শুরু হয়। তবে শুক্রবার দুপুরের দিকে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই চরসলিমাবাদ এলাকার ৪টি টিনের ঘর আসবাবপত্রসহ যমুনার গর্ভে তলিয়ে যায়। আকস্মিক এই ভাঙনে পরিবারগুলো কিছুই সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি।

মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। সর্বস্ব হারিয়ে তারা এখন চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত থাকায় পাশের ঘরবাড়ির মানুষও আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। যে কোনো মুহূর্তে আরও বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এক গৃহকর্তা কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দুই যুগের সংসার, শেষ সম্বলটুকু যমুনা কেড়ে নিল। এখন সন্তানদের নিয়ে কোথায় যাব, কীভাবে থাকব কিছুই জানি না।"

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রতি বছরই নদী ভাঙন বাঘুটিয়া ইউনিয়নের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে। অথচ দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুর বস্তা ফেলাসহ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা