সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় জাল টাকাসহ মো. ফিরোজ আহম্মেদ (২৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে আটকের পর আজ বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত মো. ফিরোজ আহম্মেদ উপজেলার কাবারীপাড়া গ্রামের মো. বাচ্চু সেখের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের আমতলা এলাকায় আ. হান্নান সেখের মুদির দোকানের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে ফিরোজ আহম্মেদকে তল্লাশি করলে তার কাছে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের দুটি জাল নোট পাওয়া যায়। জব্দকৃত জাল টাকার মোট পরিমাণ ২ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসানুজ্জামান জানান, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃত ব্যক্তি জাল নোটগুলো আসল টাকা হিসেবে বাজারে চালানোর উদ্দেশ্যে নিজের কাছে সংরক্ষণ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় পেনাল কোডের ৪৮৯(খ) ও ৪৮৯(গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন বাবু। বুধবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ আমলি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাল নোটের উৎস কোথায় এবং এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত, তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জাল নোট প্রতিরোধে পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জনসাধারণকে লেনদেনের সময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় জাল টাকাসহ মো. ফিরোজ আহম্মেদ (২৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে আটকের পর আজ বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত মো. ফিরোজ আহম্মেদ উপজেলার কাবারীপাড়া গ্রামের মো. বাচ্চু সেখের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের আমতলা এলাকায় আ. হান্নান সেখের মুদির দোকানের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে ফিরোজ আহম্মেদকে তল্লাশি করলে তার কাছে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের দুটি জাল নোট পাওয়া যায়। জব্দকৃত জাল টাকার মোট পরিমাণ ২ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসানুজ্জামান জানান, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃত ব্যক্তি জাল নোটগুলো আসল টাকা হিসেবে বাজারে চালানোর উদ্দেশ্যে নিজের কাছে সংরক্ষণ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় পেনাল কোডের ৪৮৯(খ) ও ৪৮৯(গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন বাবু। বুধবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ আমলি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাল নোটের উৎস কোথায় এবং এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত, তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জাল নোট প্রতিরোধে পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জনসাধারণকে লেনদেনের সময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন