সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার হামকুড়িয়া গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে আলাউদ্দিন (৪০), আল আমিন (৩২), শাহজাহান আলী (৪৫) ও আলাউদ্দিনের স্ত্রী শিউলী খাতুন (৪০)।
বুধবার দুপুরে তাড়াশ থানা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান । তিনি আরো বলেন, মূল আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাড়াশের হামকুড়িয়া গ্রামে ভুক্তভোগী গৃহবধূর শয়নকক্ষে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতে প্রবেশ করে। এ সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র ও গরু জবাই করার ছুরি নিয়ে ওই গৃহবধূর হাত-মুখ বেঁধে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেধড়ক মারপিট শুরু করে।
মারপিটের একপর্যায়ে মামলার প্রধান আসামীনআব্দুল্লাহ আল মামুন তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে গৃহবধকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে শক্ত করে চেপে ধরে বুকের বাম পার্শ্বে স্তনের নিচে ছুরি ঢুকিয়ে দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পৈশাচিক এই হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা মৃতদেহটি সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে পারেন।
স্থানীয়রা চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তাড়াশ থানার (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, এই নৃশংস ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার হামকুড়িয়া গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে আলাউদ্দিন (৪০), আল আমিন (৩২), শাহজাহান আলী (৪৫) ও আলাউদ্দিনের স্ত্রী শিউলী খাতুন (৪০)।
বুধবার দুপুরে তাড়াশ থানা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান । তিনি আরো বলেন, মূল আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাড়াশের হামকুড়িয়া গ্রামে ভুক্তভোগী গৃহবধূর শয়নকক্ষে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতে প্রবেশ করে। এ সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র ও গরু জবাই করার ছুরি নিয়ে ওই গৃহবধূর হাত-মুখ বেঁধে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেধড়ক মারপিট শুরু করে।
মারপিটের একপর্যায়ে মামলার প্রধান আসামীনআব্দুল্লাহ আল মামুন তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে গৃহবধকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে শক্ত করে চেপে ধরে বুকের বাম পার্শ্বে স্তনের নিচে ছুরি ঢুকিয়ে দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পৈশাচিক এই হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা মৃতদেহটি সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে পারেন।
স্থানীয়রা চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তাড়াশ থানার (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, এই নৃশংস ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন