সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ধানগড়া-ভূঁইয়াগাতী সড়কের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মরণফাঁদ সদৃশ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল ‘লাল বার্তা’-য় এ সংক্রান্ত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর নজরে আসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে অবশেষে উদ্যোগী হয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।
রায়গঞ্জ উপজেলাধীন ধানগড়া পুরাতন চৌরাস্তা সেন্টার পয়েন্ট মোড় হতে রায়গঞ্জ বাজার হয়ে ভূঁইয়াগাতী উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয় দেড় বছর আগে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স’-এর তদারকিতে ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও ধানগড়া বাজার অংশের রাস্তার মাঝে থাকা ১৩টি বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা।
গত ৬ মে ‘লাল বার্তা’-য় “১০ কোটি টাকার রাস্তার মাঝে খুঁটি: জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারী” শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে রাস্তার নির্মাণকাজ ও খুঁটির ভয়াবহ অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৪জুন) সকাল থেকে খুঁটি অপসারণ ও স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।
রাস্তার মাঝের বাধা অপসারণ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “খুঁটিটির কারণে এখানে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটত। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো সুরাহা পাইনি। অবশেষে ‘লাল বার্তা’-য় খবরটি আসার পরই কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে এবং কাজটি শুরু করল।”
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী জানান, কারিগরি ও সমন্বয়জনিত কিছু জটিলতার কারণে খুঁটিগুলো সরাতে দেরি হয়েছিল। তবে জননিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুঁটিগুলো সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থাপনের কাজ করছি। তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন থাকলেও দ্রুতই তা পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে এবং রাস্তাটি সম্পূর্ণ যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, খুঁটিগুলো সরিয়ে ফেলার পর রাস্তাটি জনসাধারণের জন্য নিরাপদ হবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ধানগড়া-ভূঁইয়াগাতী সড়কের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মরণফাঁদ সদৃশ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল ‘লাল বার্তা’-য় এ সংক্রান্ত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর নজরে আসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে অবশেষে উদ্যোগী হয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।
রায়গঞ্জ উপজেলাধীন ধানগড়া পুরাতন চৌরাস্তা সেন্টার পয়েন্ট মোড় হতে রায়গঞ্জ বাজার হয়ে ভূঁইয়াগাতী উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয় দেড় বছর আগে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স’-এর তদারকিতে ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও ধানগড়া বাজার অংশের রাস্তার মাঝে থাকা ১৩টি বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা।
গত ৬ মে ‘লাল বার্তা’-য় “১০ কোটি টাকার রাস্তার মাঝে খুঁটি: জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারী” শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে রাস্তার নির্মাণকাজ ও খুঁটির ভয়াবহ অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৪জুন) সকাল থেকে খুঁটি অপসারণ ও স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।
রাস্তার মাঝের বাধা অপসারণ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “খুঁটিটির কারণে এখানে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটত। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো সুরাহা পাইনি। অবশেষে ‘লাল বার্তা’-য় খবরটি আসার পরই কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে এবং কাজটি শুরু করল।”
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী জানান, কারিগরি ও সমন্বয়জনিত কিছু জটিলতার কারণে খুঁটিগুলো সরাতে দেরি হয়েছিল। তবে জননিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুঁটিগুলো সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থাপনের কাজ করছি। তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন থাকলেও দ্রুতই তা পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে এবং রাস্তাটি সম্পূর্ণ যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, খুঁটিগুলো সরিয়ে ফেলার পর রাস্তাটি জনসাধারণের জন্য নিরাপদ হবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন