গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণ ‘ব্যক্তিগত ব্যাপার’ বলে উল্লেখ করেছে উপজেলা বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই বিচ্ছিন্ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় কোনোভাবেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গ্রহণ করবে না। একই সঙ্গে এই ঘটনার পর সাঘাটা উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর, লুটপাট এবং নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (২২ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় সাঘাটা উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী এবং সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল ২১ জুন ২০২৬ তারিখ বোনারপাড়ায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি করাকে কেন্দ্র করে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মো: মোখলেছুর রহমান মুকুল এবং শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের মধ্যে একটি বিরোধ সৃষ্টি হয়। নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, এই বিরোধটি সম্পূর্ণ তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন,
"হত্যাকাণ্ড কোনো দল বা জাতীয় পক্ষ থেকে কখনোই কাম্য হতে পারে না। আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে কোনো হত্যাকে সমর্থন করি না। উক্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। আমরা সাঘাটা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং সেই সঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এই অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাঘাটা উপজেলা শাখার আমীর মো: ইব্রাহিম হোসেন ও যুব বিভাগের প্রধান মো: এনামুল হকের নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বোনারপাড়ায় অবস্থিত সাঘাটা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। নেতৃবৃন্দ এই ধরনের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান
উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রশাসন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, একটি অপরাধের কারণে আরেকটি অপরাধ কখনোই কাম্য হতে পারে না। অপরাধীকে কোনো দলীয় ট্যাগ না দিয়ে সম্মিলিতভাবে বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
পরিশেষে, সংবাদ সম্মেলন থেকে বোনারপাড়ার উক্ত দুটি ঘটনারই (হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ) সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা না করে, সেই আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণ ‘ব্যক্তিগত ব্যাপার’ বলে উল্লেখ করেছে উপজেলা বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই বিচ্ছিন্ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় কোনোভাবেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গ্রহণ করবে না। একই সঙ্গে এই ঘটনার পর সাঘাটা উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর, লুটপাট এবং নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (২২ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় সাঘাটা উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী এবং সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল ২১ জুন ২০২৬ তারিখ বোনারপাড়ায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি করাকে কেন্দ্র করে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মো: মোখলেছুর রহমান মুকুল এবং শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের মধ্যে একটি বিরোধ সৃষ্টি হয়। নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, এই বিরোধটি সম্পূর্ণ তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন,
"হত্যাকাণ্ড কোনো দল বা জাতীয় পক্ষ থেকে কখনোই কাম্য হতে পারে না। আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে কোনো হত্যাকে সমর্থন করি না। উক্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। আমরা সাঘাটা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং সেই সঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এই অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাঘাটা উপজেলা শাখার আমীর মো: ইব্রাহিম হোসেন ও যুব বিভাগের প্রধান মো: এনামুল হকের নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বোনারপাড়ায় অবস্থিত সাঘাটা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। নেতৃবৃন্দ এই ধরনের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান
উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রশাসন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, একটি অপরাধের কারণে আরেকটি অপরাধ কখনোই কাম্য হতে পারে না। অপরাধীকে কোনো দলীয় ট্যাগ না দিয়ে সম্মিলিতভাবে বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
পরিশেষে, সংবাদ সম্মেলন থেকে বোনারপাড়ার উক্ত দুটি ঘটনারই (হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ) সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা না করে, সেই আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন