দৈনিক লাল বার্তা

রৌমারী সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় সপ্তাহ ধরে আটকে ৫ যুবক



রৌমারী সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় সপ্তাহ ধরে আটকে ৫ যুবক

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের শিকার ৫ বাংলাদেশি যুবক গত এক সপ্তাহ ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে ২ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্তে ৩ জন অবস্থান করছেন।

এদিকে শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার মোল্লাচর ও দাঁতভাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে নতুন করে আরও কয়েকজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, তীব্র রোদ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সামান্য প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে শূন্যরেখায় আটকে থাকা যুবকদের। সেখানে পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি, গোসল ও স্যানিটেশনসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাবে তারা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। মানবিক সংকটের পাশাপাশি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।

এর আগে গত ১৪ জুন সকালে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাসহ ৬ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও ৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দিলে তারা দুই দেশের সীমান্তবর্তী শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অবস্থান নেয়।

পরে ঘটনার চার দিন পর, ১৮ জুন রাতে গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে এখনও ৫ যুবক সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে শূন্যরেখায় মানবেতর জীবনযাপন করা এসব ব্যক্তির বিষয়ে কার্যকর সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


রৌমারী সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় সপ্তাহ ধরে আটকে ৫ যুবক

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image



কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের শিকার ৫ বাংলাদেশি যুবক গত এক সপ্তাহ ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে ২ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্তে ৩ জন অবস্থান করছেন।

এদিকে শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার মোল্লাচর ও দাঁতভাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে নতুন করে আরও কয়েকজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, তীব্র রোদ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সামান্য প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে শূন্যরেখায় আটকে থাকা যুবকদের। সেখানে পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি, গোসল ও স্যানিটেশনসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাবে তারা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। মানবিক সংকটের পাশাপাশি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।

এর আগে গত ১৪ জুন সকালে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাসহ ৬ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও ৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দিলে তারা দুই দেশের সীমান্তবর্তী শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অবস্থান নেয়।

পরে ঘটনার চার দিন পর, ১৮ জুন রাতে গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে এখনও ৫ যুবক সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে শূন্যরেখায় মানবেতর জীবনযাপন করা এসব ব্যক্তির বিষয়ে কার্যকর সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।”



দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা