রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় তথ্য যাচাই, সরেজমিন মনিটরিং ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁঠালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হয়।
গণশুনানিতে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই তথ্য যাচাই ও পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হলো ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। সমাজের পিছিয়ে পড়া, অসহায় ও স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের জীবনযাত্রার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, একটি পরিবার যেন অভাবের কারণে বঞ্চনার শিকার না হয়, কোনো মা যেন সন্তানের খাবার কিংবা ওষুধের চিন্তায় নির্ঘুম রাত না কাটান—সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এই সহায়তা প্রকৃত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে ।ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসত্য তথ্যের সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১৭ জনু উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, দল-মত নির্বিশেষে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান করেন এবং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় তথ্য যাচাই, সরেজমিন মনিটরিং ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁঠালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হয়।
গণশুনানিতে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই তথ্য যাচাই ও পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হলো ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। সমাজের পিছিয়ে পড়া, অসহায় ও স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের জীবনযাত্রার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, একটি পরিবার যেন অভাবের কারণে বঞ্চনার শিকার না হয়, কোনো মা যেন সন্তানের খাবার কিংবা ওষুধের চিন্তায় নির্ঘুম রাত না কাটান—সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এই সহায়তা প্রকৃত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে ।ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসত্য তথ্যের সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১৭ জনু উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, দল-মত নির্বিশেষে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান করেন এবং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন