সাব্বির মির্জা।।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, ডোবা- নালায় ফুটেছে কচুরিপানা ফুল। এ ফুল ফুটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। কচুরিপানার ফুলের নির্মল সৌন্দর্য প্রকৃতিতে যোগ করেছে নান্দনিকতা। তাই প্রকৃতি মেতেছে এখন নতুন রূপে। চোখ জুড়ানো অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হচ্ছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু মানুষেরা।
প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া কচুরিপানা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে হারিয়ে যায় মন। যেন প্রকৃতি সেজেছে এক অপরূপ সৌন্দর্যে। পানির উপর বিছানো সারি সারি সবুজ পাতা আর ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায়। দূর থেকে মনে হয় কেউ যেন সবুজ চাঁদরে ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে।
চোখ জুড়ানো সবুজ পাতার মাঝে হালকা গোলাপী রঙয়ের কচুরিপানা ফুলের উঁকি হৃদয় জুড়িয়ে দেয়। ফোটা ফুলের সঙ্গে কুঁড়িগুলো মাথা তুলেছে নতুন করে ফোটার আশায়। সবুজ পাতা আর হালকা গোলাপী ফুলের মিলন মেলায় মনের আনন্দে নির্ভয়ে বিচরণ করছে পানকৌড়ি আর ডাহুক। ফুটন্ত ফুলের মাথায় খেলা করছে প্রজাপতি আর ভ্রমরের দল।
কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আসা দর্শনার্থীর শিক্ষার্থী রাজু, সুজন, রাকিব জানান, কচুরিপানা ফুলের গন্ধ না থাকলেও এর সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে, তাই বন্ধুবান্ধব নিয়ে আমরা এ ফুল দেখতে এসেছি, দেখলাম ছবি তুললাম অনেক ভালো লাগলো।
কৃষিক্ষেত্রে কচুরিপানার যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কৃষকেরা কচুরিপানা উঠিয়ে জমিতে ফলানো আলু, পটলসহ বিভিন্ন সবজি চাষে ব্যবহার করছেন। কচুরিপানা থেকে এখন তৈরি হচ্ছে জৈব সার। ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। কচুরিপানা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তাড়াশ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের জীব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলী জানান, কচুরিপানা ফুল একটি শোভা বর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে, এছাড়াও তিনি জানান কচুরিপানা মাছের খাদ্য হিসেবে গরুর খাদ্য হিসেবে ও রাসায়নিক সারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক সার হিসেবে এই সার ব্যবহার করা যায়।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
সাব্বির মির্জা।।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, ডোবা- নালায় ফুটেছে কচুরিপানা ফুল। এ ফুল ফুটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। কচুরিপানার ফুলের নির্মল সৌন্দর্য প্রকৃতিতে যোগ করেছে নান্দনিকতা। তাই প্রকৃতি মেতেছে এখন নতুন রূপে। চোখ জুড়ানো অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হচ্ছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু মানুষেরা।
প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া কচুরিপানা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে হারিয়ে যায় মন। যেন প্রকৃতি সেজেছে এক অপরূপ সৌন্দর্যে। পানির উপর বিছানো সারি সারি সবুজ পাতা আর ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায়। দূর থেকে মনে হয় কেউ যেন সবুজ চাঁদরে ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে।
চোখ জুড়ানো সবুজ পাতার মাঝে হালকা গোলাপী রঙয়ের কচুরিপানা ফুলের উঁকি হৃদয় জুড়িয়ে দেয়। ফোটা ফুলের সঙ্গে কুঁড়িগুলো মাথা তুলেছে নতুন করে ফোটার আশায়। সবুজ পাতা আর হালকা গোলাপী ফুলের মিলন মেলায় মনের আনন্দে নির্ভয়ে বিচরণ করছে পানকৌড়ি আর ডাহুক। ফুটন্ত ফুলের মাথায় খেলা করছে প্রজাপতি আর ভ্রমরের দল।
কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আসা দর্শনার্থীর শিক্ষার্থী রাজু, সুজন, রাকিব জানান, কচুরিপানা ফুলের গন্ধ না থাকলেও এর সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে, তাই বন্ধুবান্ধব নিয়ে আমরা এ ফুল দেখতে এসেছি, দেখলাম ছবি তুললাম অনেক ভালো লাগলো।
কৃষিক্ষেত্রে কচুরিপানার যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কৃষকেরা কচুরিপানা উঠিয়ে জমিতে ফলানো আলু, পটলসহ বিভিন্ন সবজি চাষে ব্যবহার করছেন। কচুরিপানা থেকে এখন তৈরি হচ্ছে জৈব সার। ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। কচুরিপানা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তাড়াশ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের জীব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলী জানান, কচুরিপানা ফুল একটি শোভা বর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে, এছাড়াও তিনি জানান কচুরিপানা মাছের খাদ্য হিসেবে গরুর খাদ্য হিসেবে ও রাসায়নিক সারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক সার হিসেবে এই সার ব্যবহার করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন