সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথে সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকছে
পানি। দীর্ঘদিন ধরে পাকা রাস্তা দেবে যাওয়া
এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সরকারি সেবা নিতে আসা শতশত সাধারণ মানুষকে।
উপজেলা প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু এই কার্যালয়টিতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। কিন্তু কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে নোংরা ও কাদা-পানি জমে থাকায় বাধ্য হয়ে সবাইকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কেবল সাধারণ মানুষই নন, দাপ্তরিক কাজে আসা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও প্রতিদিন এই নোংরা পানি পেরিয়েই অফিসে ঢুকতে হচ্ছে, যা প্রশাসনিক পরিবেশকে ক্ষুণ্ন করছে।
অফিসে আসা কয়েকজন সাধারণ সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "উপজেলার সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের মূল জায়গা হলো ইউএনও অফিস। কিন্তু সেই অফিসের প্রবেশ পথেরই যদি এই দশা হয়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? সামান্য বৃষ্টি হলেই এখানে পানি জমে যায়।"
এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রবিউল আলম এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথে সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকছে
পানি। দীর্ঘদিন ধরে পাকা রাস্তা দেবে যাওয়া
এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সরকারি সেবা নিতে আসা শতশত সাধারণ মানুষকে।
উপজেলা প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু এই কার্যালয়টিতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। কিন্তু কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে নোংরা ও কাদা-পানি জমে থাকায় বাধ্য হয়ে সবাইকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কেবল সাধারণ মানুষই নন, দাপ্তরিক কাজে আসা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও প্রতিদিন এই নোংরা পানি পেরিয়েই অফিসে ঢুকতে হচ্ছে, যা প্রশাসনিক পরিবেশকে ক্ষুণ্ন করছে।
অফিসে আসা কয়েকজন সাধারণ সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "উপজেলার সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের মূল জায়গা হলো ইউএনও অফিস। কিন্তু সেই অফিসের প্রবেশ পথেরই যদি এই দশা হয়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? সামান্য বৃষ্টি হলেই এখানে পানি জমে যায়।"
এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রবিউল আলম এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন