রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পরিবারের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবী এলাকার একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে একই ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে পুলিশ সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর সোহেল রানা আদালতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে তীব্র জনরোষ দেখা দেয়। দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাজপথে নামেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের মহিলা বিভাগ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন আয়োজন করে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ফাঁসির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানায়। রাজধানীর বাইরেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পরিবারের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবী এলাকার একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে একই ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে পুলিশ সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর সোহেল রানা আদালতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে তীব্র জনরোষ দেখা দেয়। দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাজপথে নামেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের মহিলা বিভাগ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন আয়োজন করে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ফাঁসির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানায়। রাজধানীর বাইরেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন