আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা দিতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মুলিবাড়ী ট্রমা সেন্টারে বিশেষ জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে থেকে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত চলমান এই কার্যক্রমের আওতায় দুর্ঘটনায় আহতদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুতর আহতদের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নিকটস্থ বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই সাময়িক উদ্যোগের পাশাপাশি ট্রমা সেন্টারটি স্থায়ীভাবে পূর্ণাঙ্গ আকারে চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এ কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের জেলার দুর্ঘটনায় আহতরা দ্রুত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমীন বলেন, মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদকালীন সময়ে আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৬ জুন পর্যন্ত এই বিশেষ সেবা চালু রাখা হবে। তিনি জানান, ট্রমা সেন্টারে ৪ জন চিকিৎসক, ৪ জন নার্স, ৪ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ১১ জন আউটসোর্সিং কর্মী, নাইট গার্ড ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও বলেন, ট্রমা সেন্টারটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের কাছেও জরুরি হটলাইন নম্বর সরবরাহ করা হয়েছে।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন খন্দকার জানান, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা চালু থাকবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা দিতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মুলিবাড়ী ট্রমা সেন্টারে বিশেষ জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে থেকে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত চলমান এই কার্যক্রমের আওতায় দুর্ঘটনায় আহতদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুতর আহতদের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নিকটস্থ বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই সাময়িক উদ্যোগের পাশাপাশি ট্রমা সেন্টারটি স্থায়ীভাবে পূর্ণাঙ্গ আকারে চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এ কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের জেলার দুর্ঘটনায় আহতরা দ্রুত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমীন বলেন, মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদকালীন সময়ে আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৬ জুন পর্যন্ত এই বিশেষ সেবা চালু রাখা হবে। তিনি জানান, ট্রমা সেন্টারে ৪ জন চিকিৎসক, ৪ জন নার্স, ৪ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ১১ জন আউটসোর্সিং কর্মী, নাইট গার্ড ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও বলেন, ট্রমা সেন্টারটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের কাছেও জরুরি হটলাইন নম্বর সরবরাহ করা হয়েছে।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন খন্দকার জানান, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা চালু থাকবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন