সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদী ও তার পরিবারকে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে প্রাণনাশের হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির আহমেদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল এলাকার বাসিন্দা সাবিনা ইয়াসমিনের দায়ের করা জিআর ২/২৬ নং মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৩০ মার্চ জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি খেলা দেখাবে এবং জেলের ভাত খাওয়াবে বলেও হুমকি দিচ্ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান আসামি আব্দুল জলিল তালুকদার ও তার ছেলে রুহুল আমিন তালুকদার সরাসরি এলাকায় কম অবস্থান করলেও অন্যদের মাধ্যমে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করছেন। তাদের নির্দেশনায় অপর আসামি মনতাজ আলী তালুকদার ও তার ভাই কুরমান আলী প্রায়ই ভুক্তভোগীদের বাড়ির আশপাশে গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি ও খারাপ আচরণ করছেন।
গত ১৩ মার্চ জুমার নামাজের পর মনতাজ আলী প্রকাশ্যে সাব্বিরের বাবা ও চাচাকে হত্যার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিলেও পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়া গত ৮ মে আসামিপক্ষের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় সাব্বিরকে তুলে নিয়ে গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এতে মানসিক চাপে তার বড় চাচা, যিনি একজন সিওপিডি রোগী, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে এনায়েতপুর হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, ২ নম্বর আসামি রুহুল আমিন তালুকদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়মিত উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে দেওয়া একটি পোস্টকে তারা সংঘবদ্ধ হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি মেসেঞ্জারেও পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করা হয়েছে। এসবের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
বর্তমানে পুরো পরিবার চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে উল্লেখ করে সাব্বির আহমেদ আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ বলেন সারাদিন তো অনেক জিডি করে বিষয়টি দেখে জানাতে হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদী ও তার পরিবারকে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে প্রাণনাশের হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির আহমেদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল এলাকার বাসিন্দা সাবিনা ইয়াসমিনের দায়ের করা জিআর ২/২৬ নং মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৩০ মার্চ জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি খেলা দেখাবে এবং জেলের ভাত খাওয়াবে বলেও হুমকি দিচ্ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান আসামি আব্দুল জলিল তালুকদার ও তার ছেলে রুহুল আমিন তালুকদার সরাসরি এলাকায় কম অবস্থান করলেও অন্যদের মাধ্যমে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করছেন। তাদের নির্দেশনায় অপর আসামি মনতাজ আলী তালুকদার ও তার ভাই কুরমান আলী প্রায়ই ভুক্তভোগীদের বাড়ির আশপাশে গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি ও খারাপ আচরণ করছেন।
গত ১৩ মার্চ জুমার নামাজের পর মনতাজ আলী প্রকাশ্যে সাব্বিরের বাবা ও চাচাকে হত্যার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিলেও পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়া গত ৮ মে আসামিপক্ষের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় সাব্বিরকে তুলে নিয়ে গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এতে মানসিক চাপে তার বড় চাচা, যিনি একজন সিওপিডি রোগী, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে এনায়েতপুর হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, ২ নম্বর আসামি রুহুল আমিন তালুকদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়মিত উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে দেওয়া একটি পোস্টকে তারা সংঘবদ্ধ হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি মেসেঞ্জারেও পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করা হয়েছে। এসবের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
বর্তমানে পুরো পরিবার চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে উল্লেখ করে সাব্বির আহমেদ আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ বলেন সারাদিন তো অনেক জিডি করে বিষয়টি দেখে জানাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন